বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মমতার পথেই হাঁটছে ওড়িশা, বিধান পরিষদ গঠনের ভাবনাচিন্তা পট্টনায়েক সরকারেরও
নবীন পট্টনায়ক
নবীন পট্টনায়ক

মমতার পথেই হাঁটছে ওড়িশা, বিধান পরিষদ গঠনের ভাবনাচিন্তা পট্টনায়েক সরকারেরও

  • বিজু জনতা দলের সাংসদরা বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন।

এবার পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে একই সুরে গলা মেলাল ওড়িশা। পশ্চিমবঙ্গে বিধান পরিষদ গঠন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিধান পরিষদ গঠন নিয়ে প্রস্তাব পাশ হয়েছে বিধানসভায়। এবার পশ্চিমবঙ্গের দেখাদেখি ওড়িশা সরকারও বিধান পরিষদ গঠন নিয়ে আগ্রহ দেখাল।

সংসদে বাদল অধিবেশন শুরুর আগের দিন কেন্দ্রের তরফে সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়। কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বৈঠকে যোগদানের জন্য । সেই বৈঠকে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজেদের দাবি পেশ করেন। তখনই হঠাৎ বিজু জনতা দলের সাংসদরা বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন। এদিনই বিধান পরিষদ গঠন নিয়ে সরকারের তরফে খসড়া তৈরি করার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হল। জানা যাচ্ছে, ওড়িশায় আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিধান পরিষদ গড়া নিয়ে প্রস্তাব পেশ হবে। ওড়িশার পরিষদীয় মন্ত্রী বিক্রম কেশরী আরুখ এই বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৪৯ জন সদস্যের এই বিধান পরিষদ তৈরি হবে।

এখনও পর্যন্ত দেশের ৬টি রাজ্যে এই দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। এই ৬টি রাজ্য হল উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলাঙ্গানা। ১৯৫২ সালের ৫ জুন ৫১ জন সদস্যকে নিয়ে বিধান পরিষদ গঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর বাংলায় বিধান পরিষদ ছিল। ১৯৬৯ সালের ২১ মার্চ এই বিধান পরিষদের অবলুপ্তি হয়। এবার তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে ফের বিধান পরিষদকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাব পাশ হয়ে গেলেও এখন সেটা রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। রাজ্যপাল শুধু অনুমোদন দিলেই হবে না, লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষেই তা পাশ করাতে হবে। শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের স্বাক্ষর লাগবে। এরপরই পশ্চিমবঙ্গে বিধান পরিষদ গঠনের বিষয়টি কার্যকর হবে। এরইমধ্যে ওড়িশার শাসকদল বিজু জনতা দলও তাদের রাজ্যে বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাব তোলায় পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন