বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিশ্বরেকর্ড! ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্মেছে প্রায় ৬০ হাজার শিশু
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৬০,০০০ শিশু, যা বিশ্বরেকর্ড।
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৬০,০০০ শিশু, যা বিশ্বরেকর্ড।

বিশ্বরেকর্ড! ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্মেছে প্রায় ৬০ হাজার শিশু

  • ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৬০,০০০ শিশু। এর পরেই রয়েছে চিন, যে দেশে ওই দিন জন্মগ্রহণ করেছে ৩৫,৬১৫টি শিশু।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ভারতে জন্ম নিয়েছে প্রায় ৬০,০০০ শিশু, যা বিশ্বরেকর্ড। যদিও ২০২০ সালের প্রথম দিন এর চেয়ে ৭,৩৯০টি বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করেছিল এ দেশে।

পয়লা জানুয়ারি নবজাতকের সংখ্যার ভিত্তিতে এ বছর ভারতের পরেই রয়েছে চিন। ১ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে সে দেশে জন্মগ্রহণ করেছে ৩৫,৬১৫টি শিশু। এই তথ্য জানিয়েছে ইউনিসেফ (UNICEF)।

ইউনিসেফ-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছে মোট ৩,৭১,৫০৪টি শিশু। এর মধ্যে ৫২% শিশু বিশ্বের ১০টি রাষ্ট্রে জন্ম নিয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী মোট ১৪ কোটি শিশুর জল্মগ্রহণের কথা। তাদের গড় আয়ু ধরা হয়েছে ৮৪ বছর।

ইউনিসেফ-এর একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েটা ফোর জানিয়েছেন, ‘যে সমস্ত শিশু ১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছে, তারা মাত্র এক বছর আগের চেয়ে অনেকাংশে পরিবর্তিত পৃথিবীর নাগরিক হতে চলেছে। বর্তমানে পৃথিবী যে প্রাণঘাতী অতিমারী, অর্থনৈতিক ঘাটতি,দারিদ্রের হার বৃদ্ধি ও গভীরতর সামাজিক বৈষম্যের বাতাবরণে ইউনিসেফ-এর ভূমিকা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’

ভারতে ২০২১ সালে জন্মানো শিশুদের গড় আয়ু ধরা হয়েছে ৮০.৯ বছর। তবে সরকারি উদ্যোগের ফলে প্রতিদিন অতিরিক্ত ১,০০০ শিশু বেঁচে যাচ্ছে। প্রতি বছর বিশেষ শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১০ লাখ শিশুর বেঁচে থাকার কারণে দেশের জেলাস্তরের ৩২০টি বিশেষ নবজাতক চিকিৎসা কেন্দ্র বা SNCU, যা সরকারি উদ্যোগে ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তৈরি হয়েছে।

ভারতে ইউনিসেফ-এর মুখ্য প্রতিনিধি চিকিৎসক ইয়াসমিন আলি হক জানিয়েছেন, ‘মহামারীর আগাম আভাস পাওয়া এবং তার মোকাবিলা করা শিশুদের জীবনরক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পদক্ষেপ করার সময় মাথায় রাখা জরুরি যে, সংকটকাল কেটে গেলে আমরা যেন আরও ভালো এক বিশ্ব গড়তে পারি। অতিমারী আমাদের শিখিয়েছে যে, শুধুমাত্র সংকটের সময় নয়, মানুষের নিরাপত্তার খাতিরে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা ও নীতি নির্ধারণ করা জরুরি। বিশ্বের সমস্ত সরকার, বেসরকারী সংস্থা, দাতা ও অংশীদারদের উদ্দেশে ইউনিসেফ-এর আবেদন, আসুন আমরা এক উন্নত ও নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তোলার কাজে হাত মেলাই।’

বন্ধ করুন