বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ফের সংকটে ভারত-নেপাল সম্পর্ক, নতুন করে ‘জমি উদ্ধারের’ দাবি ওলির
ওলি বলেন, ‘মহাকালী নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ নেপালের। ভারতের সঙ্গে কূটৈতিক আলোচনার মাধ্যমে আমরা ওই জায়গাগুলি ফিরিয়ে আনব।’
ওলি বলেন, ‘মহাকালী নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ নেপালের। ভারতের সঙ্গে কূটৈতিক আলোচনার মাধ্যমে আমরা ওই জায়গাগুলি ফিরিয়ে আনব।’

ফের সংকটে ভারত-নেপাল সম্পর্ক, নতুন করে ‘জমি উদ্ধারের’ দাবি ওলির

  • ভারতের ‘কবল’ থেকে ফের কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ ‘উদ্ধার’ করবেন বলে হাঁক পাড়লেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি।

সীমান্ত বিবাদ উস্কে দিয়ে ভারতের ‘কবল’ থেকে ফের কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ ‘উদ্ধার’ করবেন বলে হাঁক পাড়লেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি।  

২০২০ সালে এই তিন সীমান্তবর্তী স্থানের দখল জানিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয় নেপালের। মাঝে কয়েক মাস বিষয়টি কিছুটা থিতিয়ে গেলেও রবিবার ফেরতা জাগিয়ে তোলার চেষ্টায় শুরু করেছেন পড়শি দেশের নেতা। 

নেপালের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ভেঙে দেওয়ার পরে এ দিন পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ বা ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে ভাষণ দিতে গিয়ে এই দাবি জানান ওলি। তাঁর এই মন্তব্য যে বিশেষ সুনজরে দেখবে না দিল্লি, তা বলাই বাহূল্য।

রিপাবলিকা নিউজ ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুসারে এ দিন ওলি বলেন, ‘মহাকালী নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ নেপালের। ভারতের সঙ্গে কূটৈতিক আলোচনার মাধ্যমে আমরা ওই জায়গাগুলি ফিরিয়ে আনব।’

ওলির দাবি, ১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলগুলিতে ভারতীয় সেনা ঘাঁটি গাড়ার পর থেকে নেপালের শাসকরা কখনও সেগুলি ফেরত চাননি। 

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানায়নি ভারত।

২০২০ সালে ওলি সরকারের নবপ্রকাশিত নেপালের মানচিত্রে তিন বিতর্কিত স্থান নেপালের অন্তর্গত বলে দাবি করা হয়। ভারত-চিন সীমান্তে নতুন সড়ক নির্মাণ করার পরেই দিল্লির বিরুদ্ধে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন ওলি। 

এ দিন ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জবরদখল করা অঞ্চল উল্লেখ করে নেপালের মানচিত্র তৈরি করার পরে কেউ কেউ আমার সরকার নিয়ে অসহিষ্ণুহয়ে পড়ছেন। আসলে আমাদের পূর্বতন শাসকরা ভারতের জবরদখলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে বরাবরই ইতস্তত করেছেন। এখন আমরা সেই জায়গাগুলি ফেরত পেতে চাইছি।’

গত কয়েক সপ্তাহে ভারত-নেপাল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার তাগিদে কাঠমান্ডু সফরে গিয়েছেন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিস্ট বিভাগের প্রধান সামন্ত গোয়েল, ভারতীয় সেনাধ্যক্ষ জেনারেল এম এম নারাভানে এবং বিদেশ সচিব হর্ষ শ্রিংলা। আগামী ১৪জানিয়ারি দিল্লি সফরে আসার কথা রয়েছে নেপালের বিদেশমন্ত্রী প্রদীপ গ্যাওয়ালিরও। 

এ পরিস্থিতিতে ওলির মন্তব্য যে নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে, তা বলাই বাহূল্য।

বন্ধ করুন