বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লাগামহীন করোনা, শনিবার থেকে নাইট কার্ফু পুণেতে, ৭ দিন বন্ধ রেস্তোরাঁ-হোটেল
লাগামহীন করোনা, শনিবার থেকে নাইট কার্ফু পুণেতে, ৭ দিন বন্ধ রেস্তোরাঁ-হোটেল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
লাগামহীন করোনা, শনিবার থেকে নাইট কার্ফু পুণেতে, ৭ দিন বন্ধ রেস্তোরাঁ-হোটেল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

লাগামহীন করোনা, শনিবার থেকে নাইট কার্ফু পুণেতে, ৭ দিন বন্ধ রেস্তোরাঁ-হোটেল

  • কার্যত লাগামহীনভাবে বাড়ছে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা।

কার্যত লাগামহীনভাবে বাড়ছে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। সেই পরিস্থিতিতে আগামিকাল (শনিবার) থেকে পুণেতে ১২ ঘণ্টার রাত্রিকালীন কার্ফু লাগু হবে। যা কমপক্ষে এক সপ্তাহ চলবে। পাশাপাশি আগামী সাতদিন রেস্তোরাঁ, পানশালা বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র খাবারের হোম ডেলিভারি, ওষুধ-সহ জরুরিকালীন পরিষেবা মিলবে।

পুণের ডিভিশনাল কমিশনার সৌরভ রাও জানিয়েছেন, আগামিকাল থেকে কমপক্ষে সাতদিন ১২ ঘণ্টার রাত্রিকালীন কার্ফু (সন্ধ্যা ছ'টা থেকে সকাল ছ'টা পর্যন্ত) লাগু থাকবে। শুধু তাই নয়, যে হারে করোনার সংক্রমণের গতি আরও বাড়ছে, তাতে আগামী সাতদিন পুণের সমস্ত রেস্তোরাঁ, পানশালা, হোটেল বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র হোম ডেলিভারি পরিষেবা চালু হবে। বিয়ে এবং শেষকৃত্য ছাড়া কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। তবে সেখানেও জমায়েতের উপর কড়া বিধিনিষেধ থাকছে। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন উপস্থিত থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে সেই সংখ্যাটা ২০-তেই বেঁধে রাখা হয়েছে। 

এমনিতেই গত দু'দিন পুণেতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত বুধবার ৮,৬০৫ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যা একদিনে এখনও পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ। সেই পরিস্থিতিতে শুক্রবার মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের পৌরহিত্যে একটি পর্যালোচনামূলক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই রাত্রিকালীন কার্ফুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুণের ডিভিশনাল কমিশনার জানিয়েছেন, আগামিকাল থেকে নয়া নির্দেশিকা কার্যকর হবে। ধর্মীয়স্থান, শপিং মল, সিনেমা হল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কতদিন এরকম বিধিনিষেধ চলবে? প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার (৯ এপ্রিল) আবারও পরিস্থিতির পর্যালোচনা করা হবে। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাও বলেন, ‘গত কয়েকদিনে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা বিবেচনা করেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে জেলায় সংক্রমণের হার ৩২ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ’

বন্ধ করুন