বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দিল্লির হিংসায় কোনও নেতার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রমাণ মেলেনি, আদালতকে জানাল পুলিশ
স্বতঃস্ফূর্ত বা হঠকারিতামূলক নয়, বরং সামাজিক স্থিতি নষ্ট করতে পরিকল্পনা মাফিক হিংসা ঘটানো হয়েছিল দিল্লিতে, দাবি পুলিশের।
স্বতঃস্ফূর্ত বা হঠকারিতামূলক নয়, বরং সামাজিক স্থিতি নষ্ট করতে পরিকল্পনা মাফিক হিংসা ঘটানো হয়েছিল দিল্লিতে, দাবি পুলিশের।

দিল্লির হিংসায় কোনও নেতার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রমাণ মেলেনি, আদালতকে জানাল পুলিশ

  • দিল্লির হিংসায় যে সমস্ত রাজনৈতিক নেতার নামে ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে কার্যত কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় নি।

নাগরিক সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনে দিল্লির হিংসাত্মক ঘটনায় যে সমস্ত রাজনৈতিক নেতার নামে ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে কার্যত কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় নি। মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্টকে এই তথ্য জানাল দিল্লি পুলিশ। 

দিল্লির হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যে মামলায় নাম জড়িয়েছে বিজেপির কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুর ও পরবেশ ভার্মার এবং আম আদমি পার্টির আমানতউল্লাহ খানের। 

দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ডি এন প্যাটেল ও বিচারপতি প্রতীক জালানের বেঞ্চে পেশ করা ওকালতনামায় পুলিশ জানিয়েছে, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই হিংসা স্বতঃস্ফূর্ত বা হঠকারিতামূলক ছিল না। বরং সামাজিক স্থিতি নষ্ট করতে পরিকল্পনা মাফিক হিংসা ঘটানো হয়েছিল।’ 

এই কারণে নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করা হোক বলেও আদালতে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ঘটনাপঞ্জীর অনুসন্ধান এখনও সম্পূর্ণ হয়নি এবং কোনও বিচ্যুতি ধরা পড়লে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মন্দারের মাধ্যমে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা কপিল মিশ্র ও অনুরাগ ঠাকুরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে মানবাধিকার আইন চক্র সংগঠন। অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধন বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে তাঁদের ভাষণে হিংসাত্মক প্ররোচনা দিয়েছিলেন অভিযুক্তরা। পরের দিন কংগ্রেসের সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী এবং আম আদমি পার্টির নেতাদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ দায়ের করে লইয়ার্স ভয়েস নামে এক সংগঠন। 

গত সোমবার এই সমস্ত অভিযোগের জবাব দিতে দিল্লি পুলিশকে দুই দিন সময় দেয় দিল্লি হাই কোর্ট। পুলিশ তার ওকালতনামায় জানিয়েছে, প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকারকে সম্মান জানানো যায় কিন্তু কাউকে এই বিষয়ে আইন ভাঙতে দেওয়া, হিংসায় অংশগ্রহণ করা, লুঠতরাজ ও ভাঙচুরের মধ্যমে সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করতে দেওয়া সংবিধানের অবমাননার শামিল। 

মামলার পরবর্তী শুসানি আগামী ২১ জুলাই ধার্য করেছে দিল্লি হাই কোর্ট।

বন্ধ করুন