সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআর বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ত্রিপুরা-সহ সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআর বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ত্রিপুরা-সহ সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত।

নাগরিকত্ব প্রমাণে নথির দরকার নেই, দাবি যুব কংগ্রেস নেতার

  • সংবিধান দেশবাসীকে নাগরিকত্বের অধিকার দিয়েছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে নথি জমা না দিতে ত্রিপুরাবাসীর প্রতি আর্জি জানালেন ভারতীয় যুব কংগ্রেস প্রধান শ্রীনিবাস বি ভি।

ভারতীয় সংবিধান দেশবাসীকে নাগরিকত্বের অধিকার দিয়েছে। এই কারণে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে নাগরিকত্বের প্রমাণ দাখিল করতে নথি জমা না দিতে ত্রিপুরাবাসীর প্রতি আর্জি জানালেন ভারতীয় যুব কংগ্রেস প্রধান শ্রীনিবাস বি ভি।

শনিবার আগরতলা থেকে প্রায় ১১০ কিমি দূরে ত্রিপুরার ধলাই জেলার মনু শহরে এক সভায় শ্রীনিবাস বলেন, ‘বাবাসাহেব অম্বেদকর, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ও মহাত্মা গান্ধী নির্মিত ভারতীয় সংবিধান দেশের মানুষকে নাগরিকত্বের অধিকার অর্পণ করেছে। কিন্তু সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর চালু করে এনডিএ সরকার। সাম্প্রদায়িক বিভাজনের উদ্দেশে এই তিন পদক্ষেপ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী ভারতের বাসিন্দাদের নাগরিকত্বের অধিকার রয়েছে। ত্রিপুরাবাসীর ওদের কোনও নথি দেখানোর প্রয়োজন নেই।’

এ দিন জনসভার আগে যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বে একটি সিএএ-এনআরসি-এনপিআর বিরোধী মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘হমে চাহিয়ে আজাদি’ (আমরা স্বাধীনতা চাই), ‘এনআরসি সে আজাদি’ (এনআরসি-এর থেকে মুক্তি), ‘সিএএ সে আজাদি’ (সিএএ থেকে মুক্তি), ‘এনপিআর সে আজাদি’ (এনপিআর থেকে মুক্তি) এবং ‘মোদিশাহ সে আজাদি’ (মোদী-শাহ-এর থেকে মুক্তি) ইত্যাদি স্লোগান ওঠে।

বিজেপির কড়া সমালোচনা করে যুবনেতা অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে দুই কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি, বেতনবৃদ্ধি, কালোটাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও তা পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এনডিএ সরকার।

দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফিরে সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর প্রয়োগের পরিকল্পনা করেছে বিজেপি, অভিযোগ শ্রীনিবাসের।

বন্ধ করুন