বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অবাক কাণ্ড! দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রনেতারা একে অপরকে লিখলেন চিঠি, জানানো হল 'ধন্যবাদ', কী লেখা ছিল তাতে?
কিম জং উন ও মুন জে ইন। ছবি সৌজন্য- রয়টার্স।

অবাক কাণ্ড! দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রনেতারা একে অপরকে লিখলেন চিঠি, জানানো হল 'ধন্যবাদ', কী লেখা ছিল তাতে?

  • পিয়ংগংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই চিঠির আদানপ্রদানে প্রমাণিত হয় যে, এই দুই দেশ কতটা একে অপরকে 'বিশ্বাস' করে। এই চিঠির আদানপ্রদান মূলত 'বন্ধুত্বের নিরিখে' করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

এই খবর চমকে দেওয়ার মতোই বটে! উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার দেশের সখ্যতা যে সেভাবে নেই, তা সকলেরই জানা। এমন এক জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে, আচমকা জানা গিয়েছে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন।

উত্তর কোরিয়ার মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উনকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট মুন জে ইনের চিঠির প্রেক্ষিতে উত্তর কোরিয়া থেকে কিম পাঠিয়েছেন ধন্যবাদ বার্তা। জানা গিয়েছে, শান্তির পক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়ী প্রেসিডেন্টের উদ্যোগের নেপথ্যে কিম জানিয়েছেন 'ধন্যবাদ' বার্তা। পিয়ংগংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই চিঠির আদানপ্রদানে প্রমাণিত হয় যে, এই দুই দেশ কতটা একে অপরকে 'বিশ্বাস' করে। এই চিঠির আদানপ্রদান মূলত 'বন্ধুত্বের নিরিখে' করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন-WhatsApp-এ 'Hi' লিখে পাঠালেই পেয়ে যাবেন Metro-র টিকিট! দাঁড়াতে হবে না লাইনে

জানা গিয়েছে যে চিঠি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে উত্তর কোরিয়াতে এসেছে, তাতে আগামী দিনে শান্তির পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়ী প্রেসিডেন্টের পর সেখানের মসনদে বসতে চলেছেন ইউন সুক ইয়োল। আর তিনি ইতিমধ্যেই উত্তর কোরিয়া নিয়ে কঠোর মনোভাব জারি করেছেন। মনে করা হচ্ছে, আসন্ন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করতেই উত্তর কোরিয়ার নেতার এই মোক্ষম পত্র-চাল! কার্যত এই চিঠি-কূটনৈতিকতা দিয়ে একঘরে করতে সচেষ্ট হয়েছেন দাপুটে রাষ্ট্রনেতা। এর আগে অবশ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার তরফে মুন যথেষ্ট কড়া মনোভবা দেখান সেদেশে ২০১৭ সালে আইসিবিএম টেস্টের সময়। যা কার্যত কড়া নজরে দেখে উত্তর কোরিয়া। পরবর্তীকালে দুই কোরিয়ার রাষ্ট্রনেতারা ২০১৮, ২০১৯ সালে বৈঠকে বসেন। দুই পক্ষের নেতাই শান্তির জন্য বার্তা দিলেও, পিয়ংগং চিরাচরিতভাবে সিওলকে এই রাস্তায় বাধা দেওয়ার জন্য দায়ী করেছে।

বন্ধ করুন