বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > রোগা হয়ে গিয়েছেন ১৪০ কেজির কিম, ‘কোনওক্রমে কান্না চাপছেন’ উত্তর কোরিয়াবাসী
প্রেসিডেন্ট কিম-জং-উন। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)
প্রেসিডেন্ট কিম-জং-উন। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)

রোগা হয়ে গিয়েছেন ১৪০ কেজির কিম, ‘কোনওক্রমে কান্না চাপছেন’ উত্তর কোরিয়াবাসী

  • উত্তর কোরিয়ার এক নাগরিক বলেন, 'আমাদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছে।'

কয়েকদিন ধরে মনটা ভালো নেই উত্তর কোরিয়ার মানুষের। ভারাক্রান্ত হয়ে এসেছে হৃদয়। কোনওরকমে কান্না চেপে রাখছেন তাঁরা।

কিন্তু কারণটা কী? সংবাদসংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কিম-জং-উনের ওজন খানিকটা কমে যাওয়ার জল্পনার জেরেই নাকি মন খারাপ হয়ে গিয়েছে উত্তর কোরিয়ার মানুষজনের। এক ব্যক্তি তো রয়টার্সকে বলে ফেলেছেন, ‘আমাদের সম্মানীয় জেনারেল সেক্রেটারিকে রোগা দেখে আমাদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছে। প্রত্যেকেই বলছেন যে তাঁরা নিজেদের কান্না কোনওক্রমে চেপে রেখেছেন।’

রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘ কয়েকমাস জনসমক্ষে না আসার পর উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমে দেখা যায় কিমকে। সেই ফুটেজে দেখা যায়, উত্তর কোরিয়ার শাসকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্লেনারি সেশন দেখছেন তিনি। তা দেখেই মন ভেঙে গিয়েছে উত্তর কোরিয়াবাসীর। উত্তর কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যাবে যে কিম কিছুটা রোগা হয়েছেন। মুখ কিছুটা রোগা লাগছিল। এমনিতে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চির কিমের ওজন ১৪০ কিলোগ্রাম। একাংশের দাবি, ১০-২০ কেজি ওজন ঝরে গিয়েছে কিমের।

উত্তর কোরিয়ার শাসক অবশ্য বরাবরই মদ্যপান ও ধূমপানে আসক্ত। তাঁর পরিবারে আবার হৃদরোগের ইতিহাসও আছে। কিমের বাবা এবং দাদুও হৃদরোগে মারা গিয়েছিলেন। তারইমধ্যে গত বছর দীর্ঘদিন জনসমক্ষে আসেননি কিম। তার জেরে জল্পনা ছড়িয়েছিল, তাহলে কি শরীর খারাপ হয়েছে কিমের? সেই জল্পনা উড়িয়ে আবার জনসমক্ষে আসেন কিম। কিন্তু এবারও কিমের ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলের এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, সত্যিই কিমের শরীর খারাপ থাকলে কখনওই জনসমক্ষে আসতেন না। তাই হয়তো বলা যে উত্তর কোরিয়ার শাসক এখন কিছুটা স্বাস্থ্য সচেতন হয়েছেন।

বন্ধ করুন