বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিভ্রান্ত হবেন না, বহাল থাকবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য- অকালি বিদ্রোহের পর চাষীদের বার্তা মোদীর
নরেন্দ্র মোদী 
নরেন্দ্র মোদী 

বিভ্রান্ত হবেন না, বহাল থাকবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য- অকালি বিদ্রোহের পর চাষীদের বার্তা মোদীর

ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন প্রধানমন্ত্রী। 

বৃহস্পতিবার দুটি নিয়ে মোট তিনটি কৃষিক্ষেত্র সম্পর্কিত বিল লোকসভায় পাশ করাল মোদী সরকার। কিন্তু সেই নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে প্রতিবাদ। শুধু বিরোধীরা নয়, বিজেপি শরিক অকালি দল এই নিয়ে প্রতিবাদে মন্ত্রিসভা ছেড়েছে। পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে দেখে এবার ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। 

বৃহস্পতিবার রাতে টুইটারে হিন্দিতে চাষীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন মোদী। তিনি বলেন যে এই সব প্রস্তাবিত আইনগুলির ফলে দালালদের হাত থেকে রক্ষা পাবে কৃষিক্ষেত্র। মোদী বলেন যে অনেক শক্তি চেষ্টা করছে চাষীদের বিভ্রান্ত করতে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও সরকারি ক্রয়, উভয়ই চালু থাকবে। এছাড়াও আসবে নতুন বিকল্প। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে কৃষকদের কাছে অধিকার আসবে কোথায় তারা তাদের শস্য বিক্রি করতে চান সেটা ঠিক করার। ফলে তাদের লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি হবে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে তিনি চাষীদেরকে আহ্বান জানাবেন একবার কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারের সংসদে দেওয়া বক্তব্যটি শোনার জন্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি এলে চাষীদের হাতই শক্ত হবে। 

লোকসভায় বৃহস্পতিবার  Farmers Produce Trade and Commerce (Promotion and Facilitation) Bill ও Farmers (Empowerment and Protection) Agreement on Price Assurance and Farm Services Bill পাশ হয়। এর আগেই  Essential Commodities (Amendment) Bill পাশ হয়েছিল। এবর রাজ্যসভাতে পাশ হলেই এই তিনটি বিল আইনে বদলে যাবে। সরকার যে অধ্যাদেশ এনেছে ইতিমধ্যেই, সেগুলির জায়গা নেবে এই বিলগুলি। 

সংসদে এই বিলগুলিকে কৃষিবিরোধী বলে অভিযোগ করেন এনডিএ শরিক অকালি দল। পরে অকালি সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদল মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন। তবে এই বিলের সমর্থনে কৃষিমন্ত্রী বলেন যে এতে চাষীদের ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিকল্প বাড়বে। দেশের যে কোনও জায়গাতে চাইলে নিজেদের মাল বেচতে পারবেন চাষীরা, বলে জানান তোমার। 

আরেকটি বিল এই প্রস্তাব করে চাষীরা লিখিত চুক্তিতে যেতে পারে যে পূর্ব নির্ধারিত এই দামে সে নিজের ফসল বেচবে। তোমারও জানান যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য উঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু তাতে ভয় কাটছে না চাষীদের একাংশের। কেন্দ্রের কথায় মত বদলাচ্ছে না কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিরোধীরা। কীভাবে সরকার এগুলিকে রাজ্যসভায় পাশ করায়, সেটাই দেখার। 

 

বন্ধ করুন