বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কী কাণ্ড! বিয়ের মণ্ডপ থেকে করোনা পজিটিভ বরকে তুলে আইসোলেশনে পাঠাল প্রশাসন
বিয়ের আগে পাত্র পাত্রী দুজনেই গেলেন নিভৃতবাসে (প্রতীকী ছবি)
বিয়ের আগে পাত্র পাত্রী দুজনেই গেলেন নিভৃতবাসে (প্রতীকী ছবি)

কী কাণ্ড! বিয়ের মণ্ডপ থেকে করোনা পজিটিভ বরকে তুলে আইসোলেশনে পাঠাল প্রশাসন

  • ওড়িশার গঞ্জামের ঘটনায় চোখ কপালে উঠেছে অনেকেরই

সবে বিয়ে করতে যাবেন। ঠিক সেই সময় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে হাজির প্রশাসনের লোকজন। একেবারে বিয়ের মণ্ডপ থেকে বরতে তুলে নিভৃতবাসে পাঠালেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এই ঘটনায় সাড়া পড়ে যায় এলাকায়। কনেকেও নিভৃতবাসে পাঠানো হয়েছে। বর, কনে দুই বাড়ির লোকজনকেই আপাতত হোম আইসোলেশনে থাকার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওড়িশার গঞ্জাম জেলার দশেইপুর গ্রামের এই ঘটনা শুনে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় অনেকেরই। 

 

স্থানীয় সূত্রে খবর, পাত্র রাজেন্দ্র ডান্ডিয়া ১৭ই মে কোভিড পরীক্ষার জন্য প্রশাসনের কাছা লালারস দিয়েছিলেন। এদিকে ২১শে মে বিয়ের দিনও তাঁর রিপোর্ট হাতে আসেনি। কিন্তু বিয়ে বলে কথা। তিনি বিয়ে করতে বেরিয়ে পড়েন। এদিকে প্রশাসনের কাছে খবর আসে পাত্রের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ। আর দেরি করেননি প্রশাসনের আধিকারিকরা। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন স্থানীয় বিডিও। এরপর বিয়েবাড়ির আচার অনুষ্ঠান চলাকালীনই বরকে তুলে সোজা নিভৃতবাসে পাঠিয়ে দেন। বিডিও গায়ত্রী দত্ত নায়েক বলেন, 'সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সেকারণে বরকে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে। বর কনে দুপক্ষের পরিবারের সদস্যদের হোম আইসোলেশনের জন্য বলা হয়েছে।' এদিকে একেবারে উভয় সংকটে পড়েছে দুই বাড়িরই লোকজন। বিয়ে হয়ে কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা। আবার বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে গেলে সে আর এক ঝামেলা। কিন্তু প্রশাসনিক নির্দেশ না মেনেই বা উপায় কী। অগত্যা ঠিক হয়েছে মাস খানেক পর বরের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে বিয়ে হবে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পাত্র রাজেন্দ্র ডান্ডিয়া ১৭ই মে কোভিড পরীক্ষার জন্য প্রশাসনের কাছা লালারস দিয়েছিলেন। এদিকে ২১শে মে বিয়ের দিনও তাঁর রিপোর্ট হাতে আসেনি। কিন্তু বিয়ে বলে কথা। তিনি বিয়ে করতে বেরিয়ে পড়েন। এদিকে প্রশাসনের কাছে খবর আসে পাত্রের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ। আর দেরি করেননি প্রশাসনের আধিকারিকরা। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন স্থানীয় বিডিও। এরপর বিয়েবাড়ির আচার অনুষ্ঠান চলাকালীনই বরকে তুলে সোজা নিভৃতবাসে পাঠিয়ে দেন। বিডিও গায়ত্রী দত্ত নায়েক বলেন, 'সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সেকারণে বরকে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে। বর কনে দুপক্ষের পরিবারের সদস্যদের হোম আইসোলেশনের জন্য বলা হয়েছে।' এদিকে একেবারে উভয় সংকটে পড়েছে দুই বাড়িরই লোকজন। বিয়ে হয়ে কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা। আবার বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে গেলে সে আর এক ঝামেলা। কিন্তু প্রশাসনিক নির্দেশ না মেনেই বা উপায় কী। অগত্যা ঠিক হয়েছে মাস খানেক পর বরের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে বিয়ে হবে।

|#+|

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন