বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Odisha: জঙ্গলে উদ্ধার মহিলা ক্রিকেটারের ঝুলন্ত দেহ, টিমে জায়গা না পেয়ে অবসাদ?

Odisha: জঙ্গলে উদ্ধার মহিলা ক্রিকেটারের ঝুলন্ত দেহ, টিমে জায়গা না পেয়ে অবসাদ?

মৃত্যু মহিলা ক্রিকেটারের। প্রতীকী ছবি।

রাজশ্রীর বাবা গুণনিধি সোয়েন জানিয়েছেন, আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তার মাথায় আর চোখে আঘাতের দাগ ছিল।

দেবব্রত মোহান্তি

দিনদুয়েক আগে সিলেকশন ট্রায়াল থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন এক মহিলা ক্রিকেটার। ওড়িশার বাসিন্দা ২৬ বছর বয়সী ওই মহিলা ক্রিকেটার কটক শহর থেকে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর দেহ শুক্রবার আঠাগড় এলাকায় একটি জঙ্গল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, তাঁর কোচ চক্রান্ত করে তাঁকে মেরে ফেলেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই মহিলা ক্রিকেটারের নাম রাজশ্রী সোয়েন। গত ১১ জানুয়ারি কটকের হোটেল রুম থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর জঙ্গলের গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। বনদফতরের আধিকারিক ক্ষীরোদ মল্লিক দেখতে পান দেহটি জঙ্গলের একটা গাছ থেকে ঝুলছে।তার গলা থেকে একটি স্কার্ফ ঝুলছিল। এরপর তিনি ওপরমহলে বিষয়টি জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে পুলিশ ওই এলাকায় তার স্কুটি ও হেলমেটটি পান। এদিকে পুলিশের ধারণা ওই মহিলা ক্রিকেটার আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি ছিলেন অলরাউন্ডার। পুদুচেরিতে আগামী ১৮ জানুয়ারি সিনিয়র ওমেন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার জন্য আরও ২৫জনের মতো তিনিও এসেছিলেন। কটকের সিলেকশন ক্যাম্পে এসেছিলেন তাঁরা। এদিকে গত ১০ জানুয়ারি ১৬জন সম্ভাব্য ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই তালিকায় ছিলেন না রাজশ্রী। এদিকে এরপর ১১ জানুয়ারি স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মাঠে অন্যান্যরা প্র্যাকটিশ করতে যান। তখন রাজশ্রী তাঁর কোচকে বলেছিলেন তিনি পুরীতে তাঁর বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। এদিকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ফিরে না আসায় তাঁর কোচ পুষ্পাঞ্জলি ব্যানার্জি থানায় একটি এফআইআর করেন। এদিকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইলও সুইচড অফ ছিল।

পুলিশ জানিয়েছে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।

এদিকে রাজশ্রীর বাবা গুণনিধি সোয়েন জানিয়েছেন, আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তার মাথায় আর চোখে আঘাতের দাগ ছিল।

রাজশ্রীর বোন জানিয়েছে, দিদি আমাকে সকাল ৯টা নাগাদ ফোন করেছিল। ভালো খেলেও তাকে টিম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দিদি খুব কাঁদছিল। আমি তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু দিদি ফোনটা কেটে দেয়। ওড়িশা ক্রিকেট আকাদেমি আর কোচ দিদির মৃত্যুর জন্য দায়ী। মন খারাপ থাকলে দিদি বাড়ি না ফিরে ওই জঙ্গলে গেল কেন?

পুলিশ জানিয়েছে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওড়িশা ক্রিকেট অ্য়াসোসিয়েশনের সিইও সুব্রত বেহেরা জানিয়েছেন, সিলেকশনে কোনও অনিয়ম ছিল না।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

 

বন্ধ করুন