বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিরোধীদের জোট সম্ভাবনায় নজর BJP'র, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে কী আলোচনা হতে পারে?

বিরোধীদের জোট সম্ভাবনায় নজর BJP'র, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে কী আলোচনা হতে পারে?

জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক (HT PHOTO) (HT_PRINT)

সূত্রের খবর, এবার লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বিহারে রাজ্য সভাপতি পদে বদল আনতে পারে। এবার আর জনতা দল ইউনাইটেডের সঙ্গে দলের জোট নেই। সেক্ষেত্রে ভোটের লড়াইতে একলা লড়তে হবে বিজেপিকে।

স্মৃতি কাক রামচন্দ্রন

আগামী ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি। বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির দুদিনের মিটিং হবে নিউ দিল্লিতে। মনে করা হচ্ছে সেখানে এবার কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও বিরোধীদের জোটের সম্ভাবনা কতদূর ফলপ্রসূ হবে সেই প্রসঙ্গে আলোচনা হতে পারে। পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন। পাখির চোখ একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যাবতীয় দুর্বলতাকে কাটানোর জোর চেষ্টা করছে বিজেপি। তার উপর এবার বিরোধী জোট বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার ১৬ জানুয়ারি বিজেপি একটি রোড শো করার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করছে। সাধারণত বিধানসভা ভোটের পরে দলের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর জন্য কর্মসূচি নেওয়া হয়। তবে এবার কিছুটা অন্যরকম হতে পারে বিষয়টি।

দল সূত্রে খবর, এবার গুজরাট ভোটে বিরাট জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। কিন্তু হিমাচল প্রদেশ ও দিল্লি পুরসভা ভোটে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে পারেনি। এবার ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা ভোটের আগে প্রস্তুতি নিচ্ছে দল। বিহার, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশেও সাংগঠনিক কিছু রদবদল হতে পারে।

সূত্রের খবর, এবার লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বিহারে রাজ্য সভাপতি পদে বদল আনতে পারে। এবার আর জনতা দল ইউনাইটেডের সঙ্গে দলের জোট নেই। সেক্ষেত্রে ভোটের লড়াইতে একলা লড়তে হবে বিজেপিকে।

এক বিজেপি নেতার কথায়, জেলা স্তরে সভাপতি বদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরপর রাজ্যস্তরে বদল আসতে পারে। এদিকে ভোটের আগে মধ্যপ্রদেশেও সংগঠনের কিছু রদবদল হতে পারে। কারণ রাজ্য়স্তরের নেতারা মধ্যপ্রদেশে নতুন মুখ চাইছেন, যিনি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

দলের অন্দরমহল সূত্রে খবর, নানা ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে। বুথ কমিটিগুলিকে আরও শক্তিশালী করার ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে। কারণ বুথ কমিটি শক্তিশালী হলে বুথস্তরে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হয়। তাছাড়া একেবারে তৃণমূলস্তরে কাজ করে বুথ কমিটি। সেই কমিটি দুর্বল হয়ে পড়লে আখেরে দলই দুর্বল হয়ে পড়ে। সেকারণেই বুথকে শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইতিমধ্যেই ১৬০টি লোকসভা এলাকাকে দলের তরফে চিহ্নিত করা হয়েছে । সেখানে আরও নজর দেওয়া দরকার। সেই লোকসভাগুলি নিয়ে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ গোটা দেশজুড়েই প্রতিটি লোকসভার উপরই বিশেষভাবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চেষ্টা চালাচ্ছে সংগঠন। সেই নিরিখেই কোথায় দুর্বলতা রয়েছে সেটাই চিহ্নিত করতে চাইছে বিজেপি।

 

বন্ধ করুন