বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গোয়ার সমুদ্রে নেমে জেলি ফিশের কামড়ে অসুস্থ কমপক্ষে ৯০ স্নানার্থী, চলেছে নজরদারি
গত দুই দিন ধরে গোয়ার সমুদ্রতীরে ধেয়ে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে জেলি ফিশ।
গত দুই দিন ধরে গোয়ার সমুদ্রতীরে ধেয়ে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে জেলি ফিশ।

গোয়ার সমুদ্রে নেমে জেলি ফিশের কামড়ে অসুস্থ কমপক্ষে ৯০ স্নানার্থী, চলেছে নজরদারি

  • গত দুই দিন ধরে গোয়ার সমুদ্রতীরে ধেয়ে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে জেলি ফিশ। তাদের কামড়ে জখম হলেন ৯০ এরও বেশি স্নানার্থী।

গোয়া সৈকতে বিষাক্ত জেলি ফিশের কামড়ে জখম হলেন ৯০ এরও বেশি স্নানার্থী। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁরা সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সৈকতের পাহারায় থাকা লাইফগার্ড সংস্থা দৃষ্টি মেরিন জানিয়েছে, গত দুই দিন ধরে গোয়ার সমুদ্রতীরে ধেয়ে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে জেলি ফিশ। তাদের কামড়ে ইতিমধ্যে বাগা-ক্যালাংগুটে সৈকতে আহত হয়েছেন ৫৫ জনের বেশি স্নানার্থী এবং সিংকুয়েরিম সৈকতে জখম হয়েছেন ১০ জন। আবার দক্ষিণ গোয়া থেকেও পাওয়া গিয়েছে জেলি ফিশ দংশনে অসুস্থ ২৫ জন পর্যটকের খবর। 

জেলি ফিশের কামড়ে সাধারণত প্রাথমিক চিকিৎসাতেই সুফল পাওয়া যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে শরীরে কামড়ের জায়গাটি ফুলে ওঠে এবং বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বালা ও চুলকানি ভোগ করতে হয়। 

দৃষ্টি মেরিন-এর তরফে জানানো হয়েছে, ‘একটি ক্ষেত্রে বাগা সৈকতে জেলি ফিশের কামড়ে এক ব্যক্তি সাময়িক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন ও বুকে যন্ত্রণা অনুভব করেন। সেই সঙ্গে তাঁর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। এই কারণে তাঁকে অক্সিজেন দিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’

জেলি ফিশ সাধারণত বিষযুক্ত ও বিষহীন গোত্রের হয়। বেশিরভাগ জেলি ফিশের কামড়ই মানুষের দেহে চুলকানির মতো ন্যূনতম ক্ষতিসাধন করে। তবে বিরল কিছু ক্ষেত্রে জেলি ফিশের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। 

জেলি ফিশের আক্রমণ থেকে বাঁচতে সৈকতজুড়ে নজরদারি শুরু করেছে দৃষ্টি মেরিন সংস্থা। চলেছে গণসচেতনায় লাগাতার প্রচারও।

বন্ধ করুন