বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > শেষমুহূর্তে ৫০০ করোনা রোগীকে বাঁচাল অক্সিজেনের ট্যাঙ্কার
প্রতীকী ছবি (‌সৌজন্যে রয়টার্স)‌ (REUTERS)
প্রতীকী ছবি (‌সৌজন্যে রয়টার্স)‌ (REUTERS)

শেষমুহূর্তে ৫০০ করোনা রোগীকে বাঁচাল অক্সিজেনের ট্যাঙ্কার

  • একটি অক্সিজেনের ট্যাঙ্কার আচমকাই ঢুকে পড়ল হাসপাতাল চত্বরে। তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকরা সেই অক্সিজেন রোগীদের দিতে শুরু করেন। অবশেষে ৫০০ করোনা রোগীর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

একের পর এক করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছিলেন হাসপাতালে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। মুর্মুষু রোগীদের বাঁচাতে প্রাণপাত করছিলেন চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকরা এও আশংকা করছিলেন যে, এই হারে যদি রোগী বাড়তে থাকে, তাহলে অচিরেই স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়তে পারে। হলও তাই। চিকিৎসকদের আশঙ্কা সত্যি করে টান পড়েছে অক্সিজেনের ভাঁড়ারে।

ততক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছুঁই ছুঁই। অথচ অক্সিজেনের পরিমাণ শূন্য!‌ কীভাবে এত সংখ্যক রোগীদের বাঁচানো সম্ভব হবে, সেই চিন্তায় আতান্তরে পড়েন চিকিৎসকরা। এদিকে অক্সিজেনের অভাবে ততক্ষণে প্রচুর রোগী মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে। অসহায় ভাবে সমস্ত জায়গায় অক্সিজেনের খোঁজ নিচ্ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে লাভের লাভ কিছু হয়নি। রাত দু'টোর আগে অক্সিজেন পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা ছিল না। এক প্রকার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। তবে চমৎকার ঘটল রাতেই। যখন একটি অক্সিজেনের ট্যাঙ্কার আচমকাই ঢুকে পড়ল হাসপাতাল চত্বরে। তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকরা সেই অক্সিজেন রোগীদের দিতে শুরু করেন। অবশেষে ৫০০ করোনা রোগীর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

কীভাবে ঘটল এই চমৎকার? ‌বুধবার রাত দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির জিটিবি হাসপাতালে। চিকিৎসকরা বলেছেন, ‘আমরা প্রত্যেকে একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। সময়ের বিরুদ্ধে লড়ছিলাম সবাই। আমরা হাসপাতালের এই সীমিত পরিকাঠামোর বিষয় জানতাম। তাই ৫০০ রোগী ভরতি করতে চাইছিলাম না। কীভাবে এতগুলো রোগীকে অক্সিজেন ছাড়া বাঁচানো যাবে, সেই নিয়ে চিন্তায় ছিলাম আমরা। কারণ, রোগীদের জন্য প্রত্যেকটি মুহূর্ত দামি ছিল। ঈশ্বরকে ডাকা ছাড়া কোনও উপায় ছিল না। যখন আমরা অক্সিজেনের ট্যাঙ্কারটিকে দেখলাম, সেই সময় অনেকের চোখে জল এসে গিয়েছিল।’

বন্ধ করুন