বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘শেখ হাসিনা সেতু' নয়, পদ্মা সেতু নামেই শুরু হবে যাত্রা, উদ্বোধন ২৫ জুন
বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়া দিশা দেখাতে পদ্মা সেতু। (ছবি সৌজন্যে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/ডয়চে ভেলে)

‘শেখ হাসিনা সেতু' নয়, পদ্মা সেতু নামেই শুরু হবে যাত্রা, উদ্বোধন ২৫ জুন

  • সড়কমন্ত্রী বলেছেন, ‘বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু, সেটা কবে উদ্বোধন হবে জানার আগ্রহ সবার মধ্যে। সেই সুসংবাদ আপনাদের দিচ্ছি। ‘২৫ জুন শনিবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন৷’

আগামী ২৫ জুন যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে৷ সেদিন সকাল ১০টায় সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ সেতুর নাম পদ্মা সেতুই থাকবে৷ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব তথ্য জানান৷

তিনি জানান, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন এবং নামকরণের বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। গণভবন থেকে বেরিয়ে অপেক্ষমাণ সাংবদিকদের তিনি বলেন, ‘বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু, সেটা কবে উদ্বোধন হবে জানার আগ্রহ সবার মধ্যে। সেই সুসংবাদ আপনাদের দিচ্ছি। ‘২৫ জুন শনিবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন৷’

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু চালু হলে ট্রেনে সাড়ে তিন ঘণ্টায় কলকাতা থেকে পৌঁছনো যাবে ঢাকায়

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আরেকটি বিষয়, আমরা দুটো সামারি নিয়ে এসেছিলাম, একটি সামারি উদ্বোধন, তিনি তারিখ দিয়ে সই করেছেন ২৫ জুন৷ আরেকটি সামারি, সেটাতে তিনি স্বাক্ষর করেননি৷ ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, ‘পদ্মা সেতু পদ্মা নদীর নামেই হবে৷ এটা আমি অন্য কারও নামে দেব না৷ বঙ্গবন্ধু পরিবারের কারও নামেও হবে না।’

সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে এই প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘সবাইকে আমন্ত্রন জানানো হবে, যারা বেশি বিরুদ্ধে বলছে, তাদেরকে আগে আমন্ত্রণ জানানো হবে৷’

দক্ষিণ জনপদের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের এই সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা সেতু' করার দাবি রয়েছে আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীদের৷ নানা অঙ্গন থেকে সমর্থনও এসেছে ৷ তবে আওয়ামী লিগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাতে সায় দেননি৷

পদ্মা নদীর বুকে নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার কোটি টাকায় ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর কাজ ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে উদ্বোধন করেছিলেন শেখ হাসিনা ৷

এরপর ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে বসে প্রথম স্প্যান৷ মাঝে ২২টি খুঁটির নিচে নরম মাটি পাওয়া গেলে নকশা সংশোধনের প্রয়োজন হলে বাড়তি সময় লেগে যায় প্রায় এক বছর ৷

করোনা মহামারি আর বন্যার মধ্যে কাজের গতি কমে যায় ৷ সব বাধা পেরিয়ে অক্টোবরে বসানো হয় ৩২তম স্প্যান৷ পরের বাকি স্প্যানগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই বসানো হয়ে যায়৷ ঠিক পাঁচ বছরের মাথায় পূর্ণ আকৃতি পায় স্বপ্নের সেতু, যুক্ত হয় পদ্মার দুই পাড়৷

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন পদ্মা সেতু চালু হতে পারে বলে একটি আলোচনা থাকলেও ২৩ জুন নয় বলে জানিয়ে দেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের৷

(বিশেষ দ্রষ্টব্য : প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন