বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Pakistan PMO on Shebaz Sharif Interview: 'থোড় বড়ি খাড়া...', ভারতের উদ্দেশে শান্তি বার্তার মাঝে শর্ত গুঁজল পাকিস্তান

Pakistan PMO on Shebaz Sharif Interview: 'থোড় বড়ি খাড়া...', ভারতের উদ্দেশে শান্তি বার্তার মাঝে শর্ত গুঁজল পাকিস্তান

পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। (Al Arabiya TV)

দুবাইরের খবরের চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বার্তা দিয়েছিলেন শেহবাজ শরিফ। মোদীর সঙ্গে একই টেবিলে বসার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতাও চেয়েছিলেন। তবে সেই সাক্ষাৎকারের পরই পাক প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখপাত্রের গলায় শোনা গেল সেই ‘পুরোনো সুর’। 

সম্প্রতি দুবাই ভিত্তিক এক সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় ভারতের উদ্দেশে শান্তি বার্তা দিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেও আলোচনার টেবিলে বসার কথা বলেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির কাছে মধ্যস্থতার আবেদনও করেছিলেন শেহবাজ। এরই মাঝে এবার পাক প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে টুইট করে সেই পুরোনো বুলি বলা হল পুনরায়। পাক প্রধানমন্ত্রী দফতরের সাফ বার্তা, শান্তি আলোচনার জন্য ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বদলাতে হবে ভারতকে। পাশাপাশি ফের একবার রাষ্ট্রসংঘের রেজোলিউশনের উল্লেখ করা হয়। যদিও পাকিস্তান নিজেই দীর্ঘ কয়েক দশক আগে সেই রেজোলিউশন মানতে অস্বীকার করেছিল। (আরও পড়ুন: গেরুয়া জ্যাকেট পরা ব্যক্তি জড়িয়ে ধরলেন রাহুলকে, উঠল নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ)

পাক প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে টুইট বার্তায় লেখা হয়, 'আল আরাবিয়াকে দেওয়া শেহবাজ শরিফের সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখপাত্র বলতে চান যে, পাকিস্তান চিরকালই শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীরের মতো দ্বিপাক্ষিক ইস্যুর সমাধানসূত্র বের করতে চেয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বারবার এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ২০১৯ সালের ৫ অগস্টে নেওয়া বেইআইনি পদক্ষেপ বদল করলে তবেই আলোচনার টেবিলে বসবে পাকিস্তান। ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে না আনা হলে আলোচনা সম্ভব নয়। কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান করতে হবে রাষ্ট্রসংঘের রেজোলিউশন এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের আশা-আকাঙ্খার ওপর ভিত্তি করে।'

এর আগে দুবাই ভিত্তিক আরবি নিউজ টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেহবাজ বলেছিলেন, 'আমাদের শান্তিতে থাকতে হলে এবং উন্নতি বজায় রাখতে হলে একে অপরের সাথে ঝগড়া করা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সময় এবং সম্পদ নষ্ট করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।' এদিকে ফের একবার ভারতের বিরুদ্ধে জম্মু ও কাশ্মীরে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন শেহবাজ। তাঁর কথায়, 'এটা বন্ধ করতে হবে।' তিনি এও বলেন, 'ভারতের সঙ্গে তিনটি যুদ্ধে শিক্ষা হয়েছে পাকিস্তানের।' তিনি বলেন, 'ভারতের সঙ্গে এই তিন যুদ্ধের পর থেকেই দেশে অতিরিক্ত দুর্ভোগ, দারিদ্র্য এবং বেকারত্ব দেখা গিয়েছে।'

কাশ্মীর ইস্যুতে শেহবাজ বলেন, 'ভারতের সংবিধানে কাশ্মীরিদের স্বায়ত্তশাসনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা বাতিল করেছে। তারা সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে। ২০১৯ সালের অগস্ট থেকে সেখানে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে চরম অপব্যবহার করা হচ্ছে। আমি বিশদে ঢুকতে চাইছি না। তবে এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। যাতে বিশ্বব্যাপী একটি বার্তা যেতে পারে যে ভারত আলোচনার জন্য প্রস্তুত।' শেহবাজ শরিফ এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের কাছে আবেদন রাখেন যাতে 'দুই দেশকে একত্রিত করতে' সাহায্য করেন তিনি। তিনি বলেন, 'আমি মহম্মদ বিন জায়েদকে অনুরোধ করেছি – তিনি পাকিস্তানের ভাই এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। ভারতের সাথেও তার সুসম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে আনতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।'

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন