বাড়ি > ঘরে বাইরে > সুড়ঙ্গ দিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকাচ্ছে পাকিস্তান, ড্রোন থেকে ফেলছে অস্ত্র : জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি
সুড়ঙ্গ দিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকাচ্ছে পাকিস্তান, ড্রোন থেকে ফেলছে অস্ত্র, জানিয়েছেন জম্ম ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
সুড়ঙ্গ দিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকাচ্ছে পাকিস্তান, ড্রোন থেকে ফেলছে অস্ত্র, জানিয়েছেন জম্ম ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

সুড়ঙ্গ দিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকাচ্ছে পাকিস্তান, ড্রোন থেকে ফেলছে অস্ত্র : জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি

সম্প্রতি অন্ততনাগ জেলায় একটি ট্রাক থেকে এম-১৬ রাইফেল-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

ভারতে জঙ্গি ঢোকাতে সীমান্তে সুড়ঙ্গের ব্যবহার করছে পাকিস্তান। আর সেই জঙ্গিদের জন্য আকাশ থেকে অস্ত্র ফেলছে ইসলামাবাদ। একথা জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং।

সম্প্রতি সাম্বা জেলার গালার গ্রামে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর যে ১৭০ মিটারের সুড়ঙ্গের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল, গত রবিবার সেটি ঘুরে দেখেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি। পরে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য এপারে (ভারতে) জঙ্গি ঢোকানোর পথ প্রশস্ত করতে পাকিস্তানের যে জঘন্য উপায় আছে, তার অঙ্গ হিসেবে আন্তর্জাতিক সীমানার নীচে সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়।’

গত ২৮ অগস্ট সাম্বা সেক্টরে সেই আন্তঃসীমান্ত সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছিল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ২০-২৫ ফুট গভীর সুড়ঙ্গটি সেই পাকিস্তান থেকে শুরু হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান বলেন, ‘বিশাল সুড়ঙ্গটি দেখলাম। ২০১৩-১৪ সালে ছানয়ারিতে যে সুড়ঙ্গের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল, সেটির মতোই প্রায় এই সুড়ঙ্গটি। নাগরোটা এনকাউন্টারের পর আমরা নির্দিষ্ট তথ্য পাই যে একটি সুড়ঙ্গের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ হয়েছে এবং সেটার সন্ধান করছিলাম।’

চলতি বছর জানুয়ারিতে নাগরোটায় গুলির লড়াইয়ে তিন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। তবে ভূমির বিভিন্ন বিষয় ইঙ্গিত করছে যে অনুপ্রবেশকারীদের (ভারতে পাঠাতে) অতীতে এই সুড়ঙ্গটি ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান।’ এলাকায় আর কোনও সুড়ঙ্গ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বিএসএফ এবং পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তারইমধ্যে সম্প্রতি অন্ততনাগ জেলায় একটি ট্রাক থেকে এম-১৬ রাইফেল-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জইশের দুই সদস্য সাম্বা থেকে অস্ত্র নিয়ে যাচ্ছিল। দক্ষিণ কাশ্মীরে সক্রিয় জঙ্গিদের হাতে সেই অস্ত্রগুলি তুলে দেওয়াই ছিল লক্ষ্য। বিষয়টি নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা, ড্রোন ব্যবহার করে সাম্বা সেক্টরে অস্ত্রগুলি ফেলা হয়েছিল।

জম্মুতে জইশের সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, ‘বরাবরই ওই এলাকা পাকিস্তানের র‌্যাডারে আছে। দীর্ঘদিন ধরে জম্মু, সাম্বা এবং কাঠুয়া জেলার সেনা ছাউনিতে আত্মঘাতী হামলা থেকে সেই প্রমাণ মিলেছে। ডিজিপি বলেন, 'আমরা পর্যাপ্ত (বাহিনী) মোতায়েন করেছি এবং সীমান্ত ও পশ্চাদভূমি বরাবর পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ করতে যাবতীয় প্রয়োজনীয় সতর্কতামূূক ব্যবস্থা নিচ্ছি।'

বন্ধ করুন