বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বেশিদিন টিকল না সেক্স টয়ের দোকান, বন্ধের নির্দেশ দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান
ছবি : নিজস্ব চিত্র (HT Photo)
ছবি : নিজস্ব চিত্র (HT Photo)

বেশিদিন টিকল না সেক্স টয়ের দোকান, বন্ধের নির্দেশ দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান

স্থানীয় পঞ্চায়েতের দাবি, ট্রেড লাইসেন্স ছিল না দোকানটির। তবে, নিন্দুকের মতে, প্রকাশ্যে যৌন ক্রীড়ার সরঞ্জাম বিক্রিতে প্রশাসনের অস্বস্তির জেরেই এমন ঘটনা।

দীর্ঘস্থায়ী হল না। চালু হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তড়িঘড়ি বন্ধ করা হল দেশের প্রথম সেক্স টয়ের দোকান। স্থানীয় পঞ্চায়েতের দাবি, ট্রেড লাইসেন্স ছিল না দোকানটির। তবে, নিন্দুকের মতে, প্রকাশ্যে যৌন ক্রীড়ার সরঞ্জাম বিক্রিতে প্রশাসনের অস্বস্তির জেরেই এমন ঘটনা।

'কামা গিজমোজ' নামের দোকানটির ঠিকানা গোয়ার কালাঙ্গুটে সৈকত। চলতি মাসের শুরুতেই খোলে দোকানটি। আর দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে ছবি। দুষ্টু ভাবনাকে নিয়ে এরকম খুল্লামখুল্লা ব্যবসা দেখে বেজায় মজা পান নেটিজেনরা।

মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় দোকানটির ছবি। গুটি গুটি পায়ে সাহস করে ক্রেতারাও আসছিলেন। তবে, বিষয়টিকে মোটেও ভাল চোখে দেখেননি স্থানীয়রা। 'আমাদের কাছে স্থানীয়রা দোকানটির বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তাছাড়া দোকানটির ট্রেড লাইসেন্স নেই। তাই আমরা দোকানটির সাইনবোর্ড খোলার নির্দেশ দিয়েছি। বন্ধ করতে বলা হয়েছে,' জানালেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান।

স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, 'আমার কন্ডোম বিক্রি নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। আমার যৌনপল্লি নিয়েও কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু, গ্রামের একদম মাঝখানে এরকম একটা দোকান কি খোলা উচিত্? এতে কি গোয়ার পরিচিতি আরও ভাল হবে? মহিলারা সুরক্ষিত বোধ করবেন?'

দোকানটির মালিকানা দুই ব্যবসায়ীর অধীনস্থ। তাঁরা এর আগে থেকেই সেস্ক টয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। একজনের সংস্থা কামাকার্ট ও অপরজনের সংস্থা গিজমোজওয়ালা। দুটি সংস্থাই অনলাইনে ভালই ব্যবসা করে। তবে, দোকান এই প্রথম। তবে তা বেশিক্ষণ টিকল না।

বন্ধ করুন