বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ৭১'র মুক্তিযুদ্ধ: ভারতের ভূমিকা কোনওদিন ভোলা উচিত হবে না, আবেগে ভাসলেন হাসিনা
৭১এর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পরিবারের সন্তানদের হাতে স্কলারশিপ তুলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (ANI) (HT_PRINT)

৭১'র মুক্তিযুদ্ধ: ভারতের ভূমিকা কোনওদিন ভোলা উচিত হবে না, আবেগে ভাসলেন হাসিনা

  • শেখ হাসিনা জানিয়ে দেন, আমাদের এক কোটি শরানার্থীকে প্রতিবেশী বন্ধু দেশ আশ্রয় দিয়েছিল। খাবার, ওষুধ, চিকিৎসা সব দিয়েছিল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫০ বছর আগেই রক্তে যে ঐক্যের বন্ধন সঞ্চারিত হয়েছিল সেটা এখনও বজায় রয়েছে।

ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার দিল্লিতে তিনি জানিয়েছেন, ৭১এর যুদ্ধে ভারতবাসী ও ভারতের সেনাদের ভূমিকার কথা বাংলাদেশের মানুষের ভোলা উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মতোই ভারতের সেনাদের আত্মত্যাগ কোনও অংশে কম নয়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছিলেন যে ভারতীয় সেনাদের তাঁদের ১০টি পরিবারের হাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্টুডেন্ট স্কলারশিপ তুলে দেন। বাংলাদেশ সরকারের তরফে সব মিলিয়ে মোট ২০০টি স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তার মধ্যে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য মোট ১০০টি ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য ১০০টি স্কলারশিপ দেওয়া হবে।

এই স্কলারশিপ প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম অনুজ এক্কা। তিনি হলেন গঙ্গাসাগরের যুদ্ধের শহিদ সেনা পরম বীর চক্র প্রাপক অ্যালবার্ট এক্কার নাতি।

চারদিনের ভারত সফরে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও শেখ হাসিনা দুজনেই ৭১এর যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বাংলায় বলেন, আমার দেশের মানুষের তরফে আমি এটাই বলব যে আমাদের দেশের মানুষ যেটুকু পেয়েছিলেন তা দিয়েই মুক্তিযুদ্ধে নেমেছিলেন। ভারতের মানুষ ও ভারতের সেনা সেই যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন ও আমাদের দেশের মানুষদের সঙ্গে তাঁরাও রক্ত ঝড়িয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা এটা কোনওদিন ভুলব না যে তাঁদের দেশের মানুষ, সেখানকার সরকার, সশস্ত্র বাহিনী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আর স্কলারশিপ তুলে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা কখনও ভুলব না যে এই স্কলারশিপ যাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা, তাঁদের বাবারাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত ঝড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের বন্ধুত্ব যেন অটুট থাকে।

শেখ হাসিনা জানিয়ে দেন, আমাদের এক কোটি শরানার্থীকে প্রতিবেশী বন্ধু দেশ আশ্রয় দিয়েছিল। খাবার, ওষুধ, চিকিৎসা সব দিয়েছিল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫০ বছর আগেই রক্তে যে ঐক্যের বন্ধন সঞ্চারিত হয়েছিল সেটা এখনও বজায় রয়েছে। 

বন্ধ করুন