ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

লকডাউন ভেঙে প্রশান্ত কিশোরকে কার্গো বিমানে লুকিয়ে কলকাতায় এনেছিলেন মমতা: BJP

  • বিজেপির দাবি, করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তাই প্রশান্ত কিশোরকে এনে ভাবমূর্তি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকডাউন মানছেন না বলে আগেই সরব হয়েছিল বিজেপি। এবার একই অভিযোগ উঠল তাঁর রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, একটি পণ্যবাহী বিমানে চড়ে সম্প্রতি কলকাতা এসেছিলেন তিনি।

বিহার বিজেপির মুখপাত্র নিখিল আনন্দ এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, লকডাউন ভেঙে গোপনে পণ্যবাহী বিমানে চড়ে কলকাতা এসেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর প্রশ্ন, প্রশান্ত কিশোর কোনও সরকারি আধিকারিক নন। বিমানকর্মীও নন। তাহলে কার অনুমতিতে তিনি পণ্যাবহী বিমানে চড়ে কলকাতা গেলেন? সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, এই ঘটনার জেরে কেন প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে লকডাউন ভাঙার অভিযোগ দায়ের হবে না? যে নথি ব্যবহার করে প্রশান্ত কিশোর পণ্যবাহী বিমানে উঠেছিলেন তা প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। নইলে ভারতীয় বিমানপত্তন প্রাধিকরণ ও অসামরিক উড্ডয়ন মন্ত্রককে তদন্ত করার জন্য চাপ দেব আমরা।

সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকেও একপ্রস্থ আক্রমণ করেছেন বিহার বিজেপির ওই নেতা। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে করোনা মোকাবিলায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের পাঠানো টাকা ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারছেন না তিনি। তাই নিজের ভাবমূর্তি মেরামত করতে প্রশান্ত কিশোরকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন। নিখিল আনন্দের মন্তব্য, ‘একটা রাজনৈতিক দালালের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আস্থা আসলে করোনা যোদ্ধাদের অপমান।’

জবাবে প্রশান্ত কিশোর সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘বিজেপি নেতার কাছে তথ্য থাকলে তিনি তা প্রকাশ্যে আনুন। আমি কোন বিমানে কলকাতা গিয়েছি। সেই বিমান কটার সময় উড়েছে, কখন অবতরণ করেছে... তার দাবিতে বিন্দুমাত্র সত্যতা থাকলে আমি রাজনৈতিক ও সার্বজনীন জীবন থেকে সরে দাঁড়াব। আর প্রমাণ করতে না-পারলে তাঁকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।’



বন্ধ করুন