বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বাণিজ্য থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা, পাঁচটি বিষয়ে বাংলাদেশকে সঙ্গে MOU সই
ছবি : টুইটার  (Twitter)
ছবি : টুইটার  (Twitter)

বাণিজ্য থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা, পাঁচটি বিষয়ে বাংলাদেশকে সঙ্গে MOU সই

বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে ঢাকায় হাসিনার সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করেন মোদী। এর পর দুই দেশের প্রতিনিধিরা প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনা করেন।

লক্ষ্য এক। উন্নয়ন। আর সেই পথেই একসঙ্গে হাঁটার অঙ্গীকার ভারত-বাংলাদেশের। শনিবার উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে বাণিজ্য থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা- মোট পাঁচটি বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হল দুই দেশ।

বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে ঢাকায় হাসিনার সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করেন মোদী। এর পর দুই দেশের প্রতিনিধিরা প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনা করেন। বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শক্তি ও উন্নয়নের বিষয়ে কিভাবে পরস্পরের পাশে আরও দাঁড়ানো যায়, সে বিষয়েই আলোচনা করেন তাঁরা। এমনটা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী।

পাঁতটি নতুন মউ-তে আবদ্ধ হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। তার মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলা ও নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্যে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, রাজশাহি কলেজে স্পোর্টস ফেসিলিটি তৈরির মতো বিষয়। এছাড়াও দুই দেশের ক্যাডেট কর্পদের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার চুক্তি সাক্ষরিত হয়।

এছাড়া শিক্ষা, প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত। আইসিটি যন্ত্রাদি, বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সার্ভিস ও এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং কেন্দ্রের জন্য বই, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে ভারত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সকল বিষয়ে বিস্তৃত পর্যালোচনা করেছি এবং ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ আরও গভীর করার উপায়গুলি নিয়েও আলোচনা করেছি,' টুইটে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নয়া মউ-এর ফলে দুই দেশের উন্নয়নের প্রচেষ্টায় গতি আসবে বলে তিনি জানান। এর ফলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে যুবসমাজ, বলেন মোদী।

শনিবার বাংলাদেশকে ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিল ভারত। হাসিনার হাতে তার প্রতীকী চাবি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সঙ্গে দেওয়া হল করোনা টিকাও। প্রায় ১২ লক্ষ ডোজ করোনা টিকা অনুদান হিসাবে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশকে।

শনিবার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সূচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। সীমানা সংলগ্ন তিনটি হাট-এর ভার্চুয়াল উদ্বোধন হয়। সঙ্গে শিলাইদহ কুঠিবাড়ির সংস্কারেরও সূচনা হয়। কুষ্ঠিয়ার এই বাড়িতেই জীবনের বেশ কিছু বছর কাটিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

এছাড়া উন্নয়ন ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের সূচনা হয় এদিন। রূপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পের শিলান্যাস করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ সহযোগিতা এই প্রকল্প।

বন্ধ করুন