সেই ভাইরাল ছবি
সেই ভাইরাল ছবি

জেএনইউ কাণ্ড- অবশেষে মুখে ফেট্টি বাঁধা মহিলার পরিচয় জানতে পারল পুলিশ

দৌলতরাম কলেজের ছাত্রী সেই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দিল্লি পুলিশ।

জেএনইয়ে মুখোশধারীদের আক্রমণের পর থেকেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল একটি ছবি। মুখে কাপড় বেঁধে,হাতে রড নিয়ে অন্য মুখোশধারীদের সঙ্গে জেএনইউয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এক মহিলা। তিনি কে, সেই নিয়ে হয়েছে অনেক জল্পনা। অবশেষে তাঁকে চিহ্নিত করতে পারল দিল্লি পুলিশ।

জেএনইউয়ে তাণ্ডবের অনুসন্ধান করতে যে এসআইটি গঠিত হয়েছে, তারা জানিয়েছে যে মহিলা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তাঁকে সোমবার নোটিস পাঠানা হবে তদন্তে যোগ দেওয়ার জন্যে। মহিলাকে তাঁর সঙ্গী মুখোশধারীদের শনাক্ত করতে বলা হবে।


এসআইটি-র প্রধান জয় তির্কে বলেন যে মহিলা দৌলতরাম কলেজের পড়ুয়া। তবে তিনি কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের বিশ্বাসী, সেই নিয়ে পুলিশ কিছু বলতে নারাজ। অনেক জেএনইউ পড়ুয়ার দাবি, মহিলা এবিভিপির সমর্থক। এবিভিপি জানিয়েছে তারা এই তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করছে।

ভিডিও ও ছবি দেখে জেএনইউয়ে হামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ৫৫ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ঐশী ঘোষ সহ ৪৬ জনকে নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। ইউনিটি এগেন্স্ট লেফ্ট বলে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্যদের ধীরে ধীরে শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই গ্রুপটি ঝামেলা শুরু হওয়ার ঠিক আগেই গঠিত হয়েছিল। ৬০ জনের গ্রুপের ৩৭ জনকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করেছে পুলিশ।

ইন্ডিয়া টুডের স্টিং অপারেশনে যে দুই ছাত্র স্বীকার করেছিল যে তারা হামলা করেছে, অক্ষত আয়াস্তি ও রোহিত, তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে পুলিশ। যদিও তারা প্রাথমিক ভাবে তদন্তে যোগ দেবে বলে আশ্বাস দিলেও পরে ফোন বন্ধ করে দেয় তারা। ধীরে ধীরে তদন্তের জাল গুটিয়ে আনছে দিল্লি পুলিশ। খুব দ্রুতই সব সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে, বলে পুলিশের আশা।




বন্ধ করুন