বাড়ি > ঘরে বাইরে > মদ্যপান, ধূমপান নয় - করোনা মুক্তির পর কী নিয়ম মানতে হবে, দেখুন নয়া নির্দেশিকা
মদ্যপান, ধূমপান নয় - করোনা মুক্তির পর কী নিয়ম মানতে হবে, দেখুন নয়া প্রোটোকল (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
মদ্যপান, ধূমপান নয় - করোনা মুক্তির পর কী নিয়ম মানতে হবে, দেখুন নয়া প্রোটোকল (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

মদ্যপান, ধূমপান নয় - করোনা মুক্তির পর কী নিয়ম মানতে হবে, দেখুন নয়া নির্দেশিকা

  • সকালে চবনপ্রাশ খাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সকালে চবনপ্রাশ খাওয়া, প্রাতর্ভ্রমণে যাওয়া থেকে শুরু করে যোগা করা - করোনাভাইরাস পরবর্তী শুশ্রূষার জন্য একাধিক পরামর্শ দিল কেন্দ্র। পাশাপাশি মদ্যপান ও ধূমপান এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। 

করোনা থেকে মুক্তিরও পর অনেকেই ক্লান্তি, গা-হাত-পা ব্যথা, সর্দি, গলা ব্যথা-সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাঁদের কী কী করা উচিত, কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত, তা নিয়ে রবিবার বিস্তারিত প্রোটোকল জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। করোনা মুক্ত মানুষের সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি ‘সামগ্রিক’ প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রোটোকলে তিনটি ক্ষেত্রের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে - ব্যক্তিগত পর্যায়, গোষ্ঠী পর্যায় এবং স্বাস্থ্য কাঠামো বা হাসপাতাল। ব্যক্তিগত পর্যায়ে মাস্কের ব্যবহার, স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোওয়া, সামাজিক দূরত্বের মতো সুরক্ষা বিধি পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো বা শরীর যতটা ধকল সইতে পারে, তার উপর ভিত্তি করে রোজ যোগা, প্রাণায়ম, ধ্যান করতে পারবেন করোনা-মুক্ত ব্যক্তি বা মহিলা। প্রাতর্ভ্রমণ বা সান্ধ্যকালীন ভ্রমণেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাবতীয় সুরক্ষা বিধি অবলম্বনের পাশাপাশি বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্টের মতো ‘প্রাথমিক সতর্কতামূলক উপসর্গ’ চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে, 'যদি শরীর ধকল সহ্য করতে পারে, তাহলে বাড়ির দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারেন। ধাপে ধাপে পেশাগত কাজ (চাকরি) শুরু করা যেতে পারে।'

গোষ্ঠী পর্যায়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের সচেতনতার কাজে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। নিজেদের শুশ্রূষার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী, বিশেষজ্ঞদের সহায়তা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য কাঠামো বা হাসপাতালর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, করোনা মুক্ত হয়ে ছাড়া পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে হাসপাতালে যেতে হবে। তা ফোনে বা সামনা-সামনি যে কোনওভাবেই হতে পারে। তবে যে হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির করোনা চিকিৎসরা হয়েছিল, সেই হাসপাতালে গেলে ভালো নয়। যাঁরা বাড়িতে নিভৃতবাসে ছিলেন, তাঁদের কয়েকদিন ধরে উপসর্গ থাকলে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, 'আয়ুষ মন্ত্রকের তরফে হালকা গরম জলে সকালে চবনপ্রাশ (এক চা-চামচ) খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে (নথিভুক্ত আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের নির্দেশ মতো)।'

বন্ধ করুন