বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেরলের সরকারি অনুষ্ঠানে জঙ্গি বোঝাতে একী পোশাক পরানো হল? বিতর্ক তুঙ্গে

কেরলের সরকারি অনুষ্ঠানে জঙ্গি বোঝাতে একী পোশাক পরানো হল? বিতর্ক তুঙ্গে

জঙ্গি বোঝাতে গিয়ে যে পোশাক পরানো হয়েছিল তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

মূল বিতর্কটা হল মুসলিম পোশাক পরে এক ব্য়ক্তিকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপিত করা হয়। কেরলের কোঝিকোড়ে পাঁচ দিনের কেরালা স্কুল আর্টস ফেস্টিভ্য়ালে ওই স্টেজ শোটি হয়েছিল। তবে এই অনুষ্ঠানটি হওয়ার পরেই একাধিক মুসলিম সংগঠন এভাবে ইসলামিক পোশাক পরা কাউকে জঙ্গি হিসাবে দেখানোর বিরুদ্ধে সুর তোলা শুরু করেন।

কেরলে একটি গানের অনুষ্ঠানে মুসলিম পোশাক পরে একজন জঙ্গির ভূমিকায় সাজানো হয়েছিল। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল চরমে। বিতর্কও চরমে উঠেছে। বলা হচ্ছে কেন জঙ্গি বলতে এভাবে কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের দিকে আঙুল তোলা হল? কার্যত চাপে পড়েই এনিয়ে এবার তদন্তের নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছে সরকার। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিভানকুট্টি জনশিক্ষা দফতরকে এনিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি পারফর্মিং আর্ট সোসাইটি যাতে আগামী দিনে সরকারি কোনও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে না পারে সেব্যাপারেও বলা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মালায়লাম থিয়েট্রিকাল হেরিটেজ অ্যান্ড আর্টস( MATHA) একটি উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথমে গানের সঙ্গে একটি স্টেজ শো করেছিল। তবে আগামী দিনে তাদের আর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না।

পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, একটি কমিটি ওই অনুষ্ঠানের বিষয়টি আগাম খতিয়ে দেখেছিল। কিন্তু মঞ্চে কী ধরনের পোশাক পরা হবে তা নিয়ে সেই সময় কিছু বলা হয়নি।

আসলে মূল বিতর্কটা হল মুসলিম পোশাক পরে এক ব্য়ক্তিকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপিত করা হয়। কেরলের কোঝিকোড়ে পাঁচ দিনের কেরালা স্কুল আর্টস ফেস্টিভ্য়ালে ওই স্টেজ শোটি হয়েছিল। তবে এই অনুষ্ঠানটি হওয়ার পরেই একাধিক মুসলিম সংগঠন এভাবে ইসলামিক পোশাক পরা কাউকে জঙ্গি হিসাবে দেখানোর বিরুদ্ধে সুর তোলা শুরু করেন। প্রতিবাদে সরব হন তারা।

তাঁদের দাবি, এভাবে কাউকে দাগিয়ে দেওয়াটা ঠিক নয়। সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন জানিয়েছেন, পার্টি বা সরকার কোনও ধর্ম বা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কোনও অবস্থান নেবে না।সিপিএমের কোঝিকোড় জেলা সম্পাদকমন্ডলীর তরফেও এনিয়ে তদন্ত করে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

কংগ্রেস নেতা কে মুরলীধরন এনিয়ে দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিতর্কের জবাব দিতে হবে। এটা একটি নৈতিক কর্তব্য। কোঝিকোরে যখন অনুষ্ঠানটা হয়েছিল তখন শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন।

এদিকে সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, তাদের সংগঠনের কোনও রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই। তারা জানিয়েছেন, আমাদের কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। এখানে বিভিন্ন রাজনীতির লোকজন রয়েছেন। ওই দৃশ্যটি করার পেছনে নির্দিষ্ট কোনও অভিপ্রায় ছিল না। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী মহম্মদ রিয়াজ শিল্পীদের সঙ্গেও হাতও মিলিয়েছিলেন। এমনটাই জানানো হয়েছে সংস্থার পক্ষে। এএনআই সূত্রে এমনটাই খবর।

তবে তারপরেও অবশ্য় বিতর্ক থামেনি। রাজনীতির আঙিনায় নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়েছে কেরলে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন