বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > পরনে গেরুয়া বসন,পদ্মশ্রী পেয়ে রাষ্ট্রপতিকে আশীর্বাদ ১০২ বছরের 'নন্দ স্যার'-র
আর্শীবাদ। ছবি : পিটিআই (PTI)
আর্শীবাদ। ছবি : পিটিআই (PTI)

পরনে গেরুয়া বসন,পদ্মশ্রী পেয়ে রাষ্ট্রপতিকে আশীর্বাদ ১০২ বছরের 'নন্দ স্যার'-র

  • ওড়িশার যাজপুর জেলার কান্টিরা গ্রামের বাসিন্দা নন্দ কিশোর প্রুস্তি। ওড়িশার ঐতিহ্যশালী ‘চটশালি’ বা টোল শিক্ষাদান প্রথার তিনিই সম্ভবত একমাত্র জীবিত প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য নন্দ কিশোর প্রুস্তিকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। পদ্মশ্রী গ্রহণের সময়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আশীর্বাদ করলেন ১০২ বছর বয়সী শিক্ষক-সমাজসেবক।

ওড়িশার যাজপুর জেলার কান্টিরা গ্রামের বাসিন্দা নন্দ কিশোর প্রুস্তি। ওড়িশার ঐতিহ্যশালী ‘চটশালি’ বা টোল শিক্ষাদান প্রথার তিনিই সম্ভবত একমাত্র জীবিত প্রতিনিধি। আর্থিক অনটন, রোজগারের তাগিদে সপ্তম শ্রেণির পর পড়াশোনা শেখা হয়নি তাঁর নিজের। তাঁর মতো অর্থাভাবে যাতে কারও পড়া বন্ধ হতে দেবেন না বলে পণ করেন তিনি। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই গত ৭০ বছর ধরে বহু দরিদ্র পড়ুয়াকে বিনামূল্যে পড়িয়ে চলেছেন তিনি। মূলত ওড়িয়া অক্ষর পরিচয়, প্রাথমিক স্তরের গণিতের পাঠ দেন তিনি। 

শুধু খুদে পড়ুয়ারাই নন। তাঁর কাছে পড়তে আসেন বয়স্ক পড়ুয়ারাও। সন্ধ্যাবেলাটা তাঁর বরাদ্দ থাকে বয়সে বড় পড়ুয়াদের জন্য। গ্রামবাসীদের অক্ষর পরিচয়, হিসেবনিকেশের পাঠ দেন তিনি। আশেপাশের গ্রামের সকলেই এক ডাকে 'নন্দ মাস্টার' -কে চেনেন।

রাষ্ট্রপতি ভবনের টুইটারে নন্দ প্রুস্তিকে এই পুরস্কার প্রদানের কথা উল্লেখ করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতির টুইটার হ্যান্ডেলেও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

চলতি বছর ২৬ জানুয়ারি তাঁর এই সম্মানের কথা ঘোষিত হয়।সেই সময়ে হিন্দুস্তান টাইমসকে তিনি বলেছিলেন, 'শিশুদের পড়াতে পছন্দ করি। তারা বড় হয়ে ভালো মানুষ হয়ে উঠুক, এটাই চাই।' একই পরিবারের অন্তত তিন প্রজন্মকে শিক্ষা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন :সপ্তম শ্রেণির বিদ্যা নিয়েই ৩ প্রজন্মকে শিক্ষিত করেছেন ‘পদ্মশ্রী’ নন্দ মাস্টার

বন্ধ করুন