বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সম্মানিত গালওয়ানের সাহসীরা,মহাবীর চক্র পেলেন কর্নেল সন্তোষবাবু,বীর চক্রে ভূষিত ৫
আজকে রাষ্ট্রপতি ভবনে শহিদ কর্নেল বি সন্তোষের স্ত্রী সন্তোষী এবং মা মঞ্জুলার হাতে পদক তুলে দেন রাষ্ট্রপতি (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) (PTI)
আজকে রাষ্ট্রপতি ভবনে শহিদ কর্নেল বি সন্তোষের স্ত্রী সন্তোষী এবং মা মঞ্জুলার হাতে পদক তুলে দেন রাষ্ট্রপতি (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) (PTI)

সম্মানিত গালওয়ানের সাহসীরা,মহাবীর চক্র পেলেন কর্নেল সন্তোষবাবু,বীর চক্রে ভূষিত ৫

  • আজকে রাষ্ট্রপতি ভবনে শহিদ কর্নেল বি সন্তোষের স্ত্রী সন্তোষী এবং মা মঞ্জুলার হাতে পদক তুলে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সৈন্যদের সাথে সংঘর্ষের সময় শহিদ হওয়া কর্নেল বি সন্তোষ বাবুকে মহাবীর চক্র (মরণোত্তর) পদকে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। আজকে রাষ্ট্রপতি ভবনে শহিদ কর্নেল বি সন্তোষের স্ত্রী সন্তোষী এবং মা মঞ্জুলার হাতে পদক তুলে দেন রাষ্ট্রপতি।

গালওয়ান সংঘর্ষে দেশের সম্মান রক্ষার্থে লড়াই করা আরও পাঁচজনকে বীর চক্র প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। বীর চক্র প্রাপকদের মধ্যে মধ্যে চারজনকে এই পদক মরণোত্তর ভাবে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ভারতের দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ যুদ্ধকালীন বীরত্ব পুরষ্কার হল মহাবীর চক্র। তারপরেই বীর চক্র।

মরণোত্তর বীর চক্র পদক প্রাপকরা হলেন - নায়েব সুবেদার নুদুরাম সোরেন (১৬ বিহার), হাবিলদার কে পালানি (৮১ ফিল্ড), নায়েক দীপক সিং (১৬ বিহার) এবং সিপাহী গুরতেজ সিং (৩ পাঞ্জাব)। হাবিলদার তেজিন্দর সিং (৩ মিডিয়াম) ছিলেন যুদ্ধকালীন সম্মানের একমাত্র জীবিত প্রাপক। 

গতবছরের ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্য়কায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল ভারত ও চিনের সেনা। সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছিল, লাল ফৌজ়ের কমপক্ষে ৪০ জন জওয়ান হতাহত হন।

তার পর থেকে একাধিকবার সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হয়েছে। চিনের সঙ্গে দফায় দফায় কোর কমান্ডার স্তরে বৈঠক করেছে ভারতীয় সেনা। কিন্তু তারপরেও দীর্ঘদিন সীমান্তে শক্তি বাড়িয়ে চলছিল চিন। ভারতও প্রস্তুত থাকছিল সীমান্তে। মোতায়েন করা হচ্ছিল বাড়তি সেনা।

বন্ধ করুন