বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘হে ভগবান! হাঁটু দেখা যাচ্ছে তো', মোদীদের ছবি পোস্ট করে 'ছেঁড়া জিনস' বিতর্কে কটাক্ষ প্রিয়াঙ্কার
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং তাঁর পোস্ট করা ছবি। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই এবং টুইটার)
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং তাঁর পোস্ট করা ছবি। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই এবং টুইটার)

‘হে ভগবান! হাঁটু দেখা যাচ্ছে তো', মোদীদের ছবি পোস্ট করে 'ছেঁড়া জিনস' বিতর্কে কটাক্ষ প্রিয়াঙ্কার

  • ছবিতে মোদী, গড়কড়িদের সাদা জামা এবং খাঁকি হাফপ্যান্ট পরে থাকতে দেখা গিয়েছে।

'ছেঁড়া জিনস' মন্তব্য নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে বিতর্ক। স্বামীর হয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তিরথ সিং রাওয়াতের স্ত্রী সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিতর্কের আগুন এতটুকু কমেনি। এবার তা নিয়ে বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) খোঁচা দিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় নীতিন গড়কড়িদের দুটি করে পুরনো ছবি পোস্ট করে কংগ্রেস নেত্রীর কটাক্ষ, ‘হে ভগবান! ওঁদের হাঁটু দেখা যাচ্ছে তো।’ সেই ছবিতে মোদী, গড়কড়িদের সাদা জামা এবং খাঁকি হাফপ্যান্ট পরে থাকতে দেখা গিয়েছে। যা সংঘের পুরনো উর্দি। একটি ছবিতে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতকেও দেখা যায়।

সদ্য উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে আসীন হয়েছেন তিরথ। তারইমধ্যে গত মঙ্গলবার দেরাদুনে উত্তরাখণ্ডের শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন আয়োজিত একটি কর্মশালায় গিয়ে তিরথ মন্তব্য করেন যে ছেঁড়া জিনস পরে কীভাবে মহিলারা বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারছে না। তিনি বলেন,‘ছেঁড়া ডেনিম পরছেন, হাঁটু দেখা যাচ্ছে, এই মূল্যবোধই দেওয়া হচ্ছে এখন। কোথায় থেকে শেখানো হচ্ছে এসব? স্কুল বা শিক্ষকদের কি কোনও ভুল রয়েছে? আমরা ছেলেকে ছেঁড়া জিনস পরিয়ে কোথায় নিয়ে চলেছি? মেয়েরাও ছেঁড়া জিনস পরছে। এটা কি ভালো? সকলে পশ্চিমী দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে দৌড়াচ্ছেন। যেখানে পশ্চিমী দেশগুলি আমাদের যোগাসনকে অনুসরণ করছেন, সেখানে কেন ভারতীয়রা ছেঁড়া জিনস পরছেন?'

সেই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের রীতিমতো ঝড় উঠেছে। মহিলারা ছেঁড়া জিনস পরে ছবি পোস্ট করেছেন। তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র, অভিনেত্রী জয়া বচ্চনরাও। যদিও তিরথের হয়ে সাফাই গেয়েছেন স্ত্রী রশমি ত্যাগী। তিনি দাবি করেন, 'উনি বলছিলেন যে আমরা অন্ধের মতো কীভাবে পশ্চিমী সংস্কৃতি পিছনে দৌড়াচ্ছি। হাজার-হাজার বছর ধরে আমাদের নিজের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা অনুসরণ করছি না। কিন্তু ওঁনার একটি শব্দ তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রসঙ্গে ছাড়াই তা বলা হয়েছে। ভুলভাবে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা করা হয়েছে।'

বন্ধ করুন