বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মৃত্যু হয়নি, এখনও বেঁচে পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূল চক্রীর, উঠে এল গোয়েন্দা তথ্যে
২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রক্তস্নাত হয়েছিল পুলওয়ামা (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)
২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রক্তস্নাত হয়েছিল পুলওয়ামা (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)

মৃত্যু হয়নি, এখনও বেঁচে পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূল চক্রীর, উঠে এল গোয়েন্দা তথ্যে

  • যে জঙ্গিকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার মহম্মদ ইসমাইল আলভি তথা লম্বুর সঙ্গে খতম করে দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

নীরজ চৌহান

মৃত্যু হয়নি পুলওয়ামা হামলার অন্যতম অভিযুক্ত সমীর আহমেদ দারের। যে জঙ্গিকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার মহম্মদ ইসমাইল আলভি তথা লম্বুর সঙ্গে খতম করে দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছিল। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসেই পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূল চক্রী লম্বুকে খতম করা হয়েছে। আদতে পাকিস্তানের বাওহাওয়ালপুরের বাসিন্দা যে লম্বু আবার জইশের মূল চাঁই মাসুদ আজহারের আত্মীয় হয়। ওই গোয়েন্দারা ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে জানিয়েছেন, পুলওয়ামার নাগবেরান-তারসর জঙ্গল এলাকাায় ভিক্টর ফোর্সের সেই অভিযানে লম্বুর সঙ্গে যে জঙ্গিকে খতম করা হয়েছিল, সে আদতে পাকিস্তানের নাগরিক ছিল। তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। 

প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল যে পুলওয়ামার কাকপোরার বাসিন্দা সমীরকে খতম করা হয়েছিল। যে ২০১৮ সালে জইশে যোগ দিয়েছিল। নাম গোপন রাখার শর্তে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লম্বুর সঙ্গে যে জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছিল, তার ছবি সমীরের পরিবারকে দেখনো হয়েছিল। জইশ জঙ্গির পরিবার জানায় যে ওই ছবি সমীরের নয়। পরে আরও খুঁটিয়ে পরীক্ষার সময় খতম জঙ্গির সঙ্গে সমীরের ছবির মিল পাওয়া যায়নি। 

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রক্তস্নাত হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীর। পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে বিস্ফোরক-বোঝাই গাড়ি নিয়ে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। মৃত্যু হয়েছিল ৪০ জন জওয়ানের। গত বছর জম্মুর এনআইএ আদালতে ১৩,৫০০ পাতার চার্জশিটে দাখিল করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার-সহ ১৯ জনের নাম আছে। যারা পাকিস্তানের নির্দেশে গত বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলায় জড়িত ছিল।

বন্ধ করুন