বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফলতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন পঞ্জাব সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফলতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন পঞ্জাব সরকারের (ছবি সৌজন্যে হিন্দুস্তান টাইমস) (HT_PRINT)
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফলতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন পঞ্জাব সরকারের (ছবি সৌজন্যে হিন্দুস্তান টাইমস) (HT_PRINT)

ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফলতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন পঞ্জাব সরকারের

  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফিরোজপুরের সভা বাতিল হয়। এরপরই বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ ছিল।

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর ফিরোজপুর সফরের সময় নিরাপত্তা জনিত ত্রুটির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য পঞ্জাব সরকার উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করল। পঞ্জাব সরকারের গঠিত কমিটিতে আছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মেহতাব সিং গিল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখ্য সচিব ও বিচারপতি অনুরাগ ভার্মা। উল্লেখ্য, গতকালকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফিরোজপুরের সভা বাতিল হয়। এরপরই বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ ছিল। এই নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

বিজেপি অভিযোগ করে, সফরের সময় বিক্ষোভ হতে পারে, এই সংক্রান্ত আগাম গোয়েন্দা রিপোর্টে থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত এসপিজি'র নিয়মাবলী সঠিকভাবে মানেনি পঞ্জাব পুলিশ। যদিও প্রাথমিক ভাবে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির এই অভিযোগ খারিজ করেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেসের তরফে পাল্টা খোঁচা দেওয়া হয়, সভায় লোক না হওয়ায় সভা বাতিল করে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। তবে এবারে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফতলিতৃর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করল পঞ্জাব সরকার।

উল্লেখ্য, বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর৷ সেখানে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর৷ ভাতিন্ডা বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে সভা স্থলে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে আবহাওয়া ভালো না থাকায় সড়ক পথেই রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সভা স্থলে যাওয়ার পথে প্রায় ৩০ কিমি আগে একটি উড়ালপুলে আটকে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়৷ কৃষক বিক্ষোভের জেরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট থমকে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়৷ এভাবে মাঝ রাস্তায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয় আটকে পড়ার বিষয়টি নিরাপত্তায় চরম গাফিলতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এরপর কর্মসূচি ও জনসভা বালিত করেই ফিরতে হয় নরেন্দ্র মোদীকে৷ আর এরপরই তা নিয়ে চরমে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির তরফে তো এও দাবি কার হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীকে খুনের ছক কষা হয়েছিল।

বন্ধ করুন