বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'বুস্টার শট কবে দেবে ভারত?' ওমিক্রম ত্রাসের মাঝে সুর চড়ালেন রাহুল
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (ছবি সৌজন্যে এএআই)
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (ছবি সৌজন্যে এএআই)

'বুস্টার শট কবে দেবে ভারত?' ওমিক্রম ত্রাসের মাঝে সুর চড়ালেন রাহুল

  • 'বুস্টার শট কবে দেবে ভারত?'সুর চড়ালেন রাহুল

বিশ্বজুড়ে কার্যত ত্রাস তৈরি করেছে করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। এরই মাঝে দেশে সম্পূর্ণ রূরে সম্পন্ন হয়নি ভ্যাকসিনেশনের পরিষেবা। এদিকে,ভিন দেশে যখন বুস্টার ডোজ শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন ভারতে তা কবে শুরু হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। সেই প্রসঙ্গকে কার্যত উস্কানি দিয়ে এদিন রাহুল গান্ধী এদিন এক টুইট বার্তায় প্রশ্ন তোলেন যে, 'কবে থেকে বুস্টার ডোজ শট দেবে ভারত সরকার?' রাহুলের এই টুইটের সঙ্গেই ছিল 'ভ্যাকসিনেট ইন্ডিয়া'র হ্যাশট্যাগ।

শুধু রাহুল গান্ধীই নন, একাধিক বিরোধী নেতাই বারবার প্রশ্ন তুলেছেন ভারেত বুস্টার ডোজ নিয়ে। আর সেই সুর ধরেই এদিন রাহুল গান্ধী টুইটবার্তায় লেখেন 'আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই ভ্যাকসিনেটেড নন। কবে থেকে বুস্টার ডোজ শট দেওয়া শুরু করবে ভারত সরকার?' ওয়েনাদের সাংসদ রাহুল গান্ধী একই সঙ্গে একটি সমীকরণও পেশ করেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষে ভারতের শুধু ৪২ শতাংশ মানুষই ভ্যাকসিন পাবেন। শুধু রাহুল গান্ধীই নন, তাঁর আগে আপ নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও বুস্টার ডোজের দাবিতে সোচ্চার হন। 'আমি কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে তারা প্রশাসনকে দিল্লিতে কোভিড ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজের অনুমতি দেওয়া হয়।' এখানেই শেষ নয়। শীতকালীন অধিবেশনে সংসদে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কাকলি ঘোষ দস্তিদারও এই একই দাবিতে সোচ্চার হন। একই সঙ্গে দক্ষিণের টিডিপির তরফে সাংসদ জয়দেব গাল্লাও ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ ও ১৮ বছর বয়সীদের নিচে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়ার দাবিত সরব হন।

 

এদিকে, ওমিক্রণ আতঙ্কের মাঝে দেশে বুধবারের রিপোর্ট বলছে, ভারতে মোট ১৭০ টি ওমিক্রণ কেস রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডিয়া জানিয়েছেন যাঁরা ভ্যাকসিনেশনের যোগ্য তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশই জনগনই দেশে ভ্যাকসিনেটেড। প্রথম ডোজ প্রাপকদের অঙ্ক দেশে ৮৮ শতাংশ, ও দ্বিতীয় ডোজ প্রাপক বা সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনেটেডদের সংখ্যা দেশে ৫৮ শতাংশ। বিরোধীদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগনকে দুটি ডোজ দিয়ে ভ্যাকসিনেট করাই প্রাথমিক লক্ষ্য। বুস্টার ডোজের থেকেও এই লক্ষ্যে সরকার বেশি জোর দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বহু বিশেষজ্ঞের মতে এতদিনে দেশের স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসকদের বুস্টার ডোজের প্রক্রিয়া ভারতে শুরু হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। এদিকে এক ইজরায়েলি গবেষণাপত্রের দাবি, ভ্যাকসিনেশেনর ছয় মাস বাদে ভ্যাকসিনেশের ফলে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ২০ থেকে ৫০ শতাংশ হতে পারে। সেক্ষেত্রে বুস্টার ডোজের ওপর সেভাবে জোর দেওয়া হয়নি।

বন্ধ করুন