বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > প্রাক্তন EC থেকে রাহুল, এমনকি পেগাসাস তালিকায় নাম আছে অশ্বিনীরও, দাবি রিপোর্টে
অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাহুল গান্ধী, অশোক লাভাসা (ফাইল ছবি)
অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাহুল গান্ধী, অশোক লাভাসা (ফাইল ছবি)

প্রাক্তন EC থেকে রাহুল, এমনকি পেগাসাস তালিকায় নাম আছে অশ্বিনীরও, দাবি রিপোর্টে

  • রিপোর্ট বলছে, ফোনে আড়ি পাতার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা এবং দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

পেগাসাস সংক্রান্ত রিপোর্টে বাড়ছে চাঞ্চল্য। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক কনসোর্টিয়ামের রিপোর্টে সোমবার দাবি করা হয় যে পেগাসাসের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা এবং দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সংসদে বিরোধীরা ঝড় তোলেন। মঙ্গলবারও সংসদে এই ইস্যুতে বিরোধীরা সরব হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাহুল গান্ধীর দুটি মোবাইল নম্বর সম্ভাব্য হ্যাকের তালিকায় রয়েছে। নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার অন্তত পক্ষে দু'জন মন্ত্রীর নাম রয়েছে তালিকায়। তাঁদের মধ্যে একজন অশ্বিনী বৈষ্ণব, যিনি সদ্য রেল এবং তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলের নামও রয়েছে। প্যাটেলের ঘনিষ্ঠ ১৮ জনের মোবাইলে আড়ি পাতার চেষ্টা হয়েছে বলে তালিকায় দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি। নাম রয়েছে অশোক লাভাসার। এই অশোক লাভাসাই ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের সময় আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য মোদীর দোষ খুঁজে বের করেছিলেন।

পেগাসাস কাণ্ডে কংগ্রেস নিশানা করেছে স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী সরাসরি সাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন। রাজ্যসভায় কংগ্রেসের দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও আক্রমণ শানিয়েছেন মোদী-শাহ জুটিকে।

এই বিষয়ে সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, 'কেন্দ্র পেগাসাস সফটওয়ার ব্যবহার করে, যা দিয়ে যে কারও ফোনে আড়ি পাতা যায়। কেন্দ্র বলছে, ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও-র তৈরি এই পেগাসাস সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার করার জন্য। তাহলে রাহুল গান্ধির ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে কেন? এভাবে কোন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছে কেন্দ্রে?'

বিজেপি এবং কেন্দ্রের তরফে শুরু থেকেই বিষয়টি অস্বীকার করা হচ্ছে। এই রিপোর্ট প্রকাশের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এতে ভারতীয় গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। একটি টুইটে তিনি এই বিষয়ে লিখেছেন, 'যাঁরা সংসদে বাধা সৃষ্টি করছেন, তাঁরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভারতের উন্নয়নকে স্তব্ধ করতে চাইছেন। কিন্তু তাঁরা সফল হবেন না। বাদল অধিবেশন উন্নতির নতুন দিশা নিয়ে আসবে।'

বন্ধ করুন