বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘ভারতীয় সমাজে সম্মতির দাম খুবই কম’, বৈবাহিক ধর্ষণ প্রসঙ্গে মত রাহুল গান্ধীর
রাহুল গান্ধী। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

‘ভারতীয় সমাজে সম্মতির দাম খুবই কম’, বৈবাহিক ধর্ষণ প্রসঙ্গে মত রাহুল গান্ধীর

  • কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লি হাই কোর্টে জানিয়েছে, বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধীকরণের ইস্যুতে রাজ্য সরকার, প্রধান বিচারপতি, সাংসদ এবং অন্যান্যদের পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।

‘সম্মতির দাম খুবই কম ভারতীয় সমাজে’, বিয়ের পর ধর্ষণ নিয়ে এমনই মত কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর। সম্প্রতি বিবাহের পর ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে দিল্লি হাই কোর্টে। সেই রেশ টেনেই রাহুল গান্ধীর এই মত প্রকাশ করেন এক টুইট বার্তায়। রাহুল গান্ধী টুইট করে লেখেন, ‘সম্মতির ধারণার মূল্য খুবই কম আমাদের সমাজে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটিকে সামনে রাখতে হবে।’

বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত আইন প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজীব শকধেরের বক্তব্য, ‘ধর্ষণ আইনে একজন যৌনকর্মীর সঙ্গে জোরপূর্বক সহবাসের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয় না। তাহলে কেন একজন স্ত্রীকে 'কম ক্ষমতাপ্রাপ্ত' হতে হবে।’ অপরদিকে বিচারপতি সি হরি শঙ্কর পর্যবেক্ষণ করেন, বৈবাহিক ধর্ষণের যে শাস্তি হওয়া উচিত তা অস্বীকার করার কিছু নেই। আদালতের সমস্যার বিষয়টি হল, ৩৭৫ ধারায় দেওয়া ব্যতিক্রমটি অসাংবিধানিক কিনা তা নির্ধারণ করা।

বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত আইন প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজীব শকধেরের বক্তব্য, ‘ধর্ষণ আইনে একজন যৌনকর্মীর সঙ্গে জোরপূর্বক সহবাসের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয় না। তাহলে কেন একজন স্ত্রীকে 'কম ক্ষমতাপ্রাপ্ত' হতে হবে।’ অপরদিকে বিচারপতি সি হরি শঙ্কর পর্যবেক্ষণ করেন, বৈবাহিক ধর্ষণের যে শাস্তি হওয়া উচিত তা অস্বীকার করার কিছু নেই। আদালতের সমস্যার বিষয়টি হল, ৩৭৫ ধারায় দেওয়া ব্যতিক্রমটি অসাংবিধানিক কিনা তা নির্ধারণ করা।

|#+|

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লি হাই কোর্টে জানিয়েছে, বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধীকরণের ইস্যুতে একটি 'গঠনমূলক পদ্ধতি'-র বিবেচনা করা হচ্ছে। ফৌজদারি আইনের ব্যাপক সংশোধনের বিষয়ে রাজ্য সরকার, প্রধান বিচারপতি, সাংসদ এবং অন্যান্যদের পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী মনিকা অরোরা হাই কোর্টের বেঞ্চকে বলেন, কেন্দ্র ফৌজদারি আইন সংশোধন করার জন্য কাজ করছে। আইনজীবী বলেন, ‘আমরা সমস্ত রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছ থেকে পরামর্শের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। ভারতের প্রধান বিচারপতি, সমস্ত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি, আইন প্রতিষ্ঠান, জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়, বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া, সমস্ত আদালতের বার কাউন্সিল এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।’

বন্ধ করুন