বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Rajnath Singh on Pakistani Economy: 'PoK হোক কি পাকিস্তান, কেউ যাতে খিদেতে মারা না যায়', মঙ্গল কামনা রাজনাথের

Rajnath Singh on Pakistani Economy: 'PoK হোক কি পাকিস্তান, কেউ যাতে খিদেতে মারা না যায়', মঙ্গল কামনা রাজনাথের

রাজনাথ সিং (PTI)

রাজনাথ বলেন, 'আমরা সর্বদা সবার মঙ্গল কামনা করি। কারণ ভারতই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা নিজ সীমানার মধ্যে বসবাসকারী মানুষের পাশাপাশি বাকি সবাইকেই নিজেদের পরিবার বলে মনে করে। বাসুধৈব কুটুম্বকম বা 'সমস্ত বিশ্ব একটি পরিবার' ধারণায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে ভারত।'

বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। গতবছর শ্রীলঙ্কার যা পরিস্থিতি হয়েছিল, সেদিকেই এগোচ্ছে পাকিস্তান। খাবারের আকাল, গ্যাস নেই, জ্বালানির দাম রকেট গতিতে ছুটছে। এই আবহে প্রতিবেশী দেশের অর্থনীতি নিয়ে মন্তব্য করে রাজনাথ সিং বললেন, 'পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর হোক কি পাকিস্তান, সব জায়গায় জনগণ যেন সুখী থাকেন।' উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল পণ্ডিত কেশরী নাথ ত্রিপাঠির প্রয়াণের ১৩ দিন পরের আচার-অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুক্রবার। সেখানেই তিনি এই কথা বলেছিলেন। তাঁর কথায়, কারও সমস্যা হওয়া উচিত নয় এবং সকলেই যেন সুখী এবং নিরাপদে থাকতে পারেন। তিনি আশা ব্যক্ত করেন, পরিস্থিতি যাতে এতটা খারাপ না হয় যে ক্ষুধা বা তৃষ্ণায় কাউকে প্রাণ হারাতে হয়।

রাজনাথ বলেন, 'আমরা সর্বদা সবার মঙ্গল কামনা করি। কারণ ভারতই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা নিজ সীমানার মধ্যে বসবাসকারী মানুষের পাশাপাশি বাকি সবাইকেই নিজেদের পরিবার বলে মনে করে। বাসুধৈব কুটুম্বকম বা 'সমস্ত বিশ্ব একটি পরিবার' ধারণায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে ভারত।' এদিকে পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করলেও চিন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রাখেন রাজনাথ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনা আগ্রাসন প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এদিকে পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের অর্থনীতি নিয়েও মুখ খোলেন রাজনাথ। তাঁর কথায়, 'অর্থনৈতিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের শীর্ষ তিনটি অর্থনীতির মধ্যে একটিতে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিতে পরিণত হবে।'

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপালের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, 'আমি পণ্ডিত কেশরী নাথ ত্রিপাঠীকে প্রাক্তন রাজ্যপাল, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বা প্রাক্তন মন্ত্রী হিসাবে দেখতাম না। আমি তাঁকে বড় দাদা হিসাবে দেখতাম। তাঁর যে যোগ্যতা, প্রতিভা এবং সামর্থ্য ছিল, সেটা সম্বন্ধে গোটা রাজ্যই ভালোভাবে অবগত ছিল। তাঁর মৃত্যু সমগ্র জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।'

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন