বাড়ি > ঘরে বাইরে > কোভিড সংকটে নিজেদের শখের দামি গাড়ি বেচে দিচ্ছেন কোটিপতিরা
গত অগস্ট মাসে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের নিজেদের ব্যবহৃত ৪৫টি গাড়ি বিক্রি করেছেন কানপুরের শিল্পপতিরা।
গত অগস্ট মাসে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের নিজেদের ব্যবহৃত ৪৫টি গাড়ি বিক্রি করেছেন কানপুরের শিল্পপতিরা।

কোভিড সংকটে নিজেদের শখের দামি গাড়ি বেচে দিচ্ছেন কোটিপতিরা

  • কোভিড সংকটে আয় কমার ফলে বাজারে দামি গাড়ি বিকোচ্ছে না। বরং ব্যবহৃত গাড়ির চাহিদা হু হু করে বাড়ছে।

চড়া রক্ষণাবেক্ষণের খরচ এবং আয়ে ঘাটতির জেরে কোভিড অতিমারী পরিস্থিতিতে নিজেদের বিলাসবহুল গাড়ি ঢালাও বিক্রি করছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি, ছোট ও ব্যবহৃত পুরনো গাড়ির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে বাজারে।

৪০ লাখ টাকার বেশি দামি গাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে এক নম্বরে রয়েছে কানপুর। অন্যান্য সময় প্রতি মাসে এই শহরে ৪০-৫০ টি নতুন বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি হয়। কিন্তু কোভিড সংকটে ব্যবসায় আয় কমার ফলে বাজারে এত দামি গাড়ি বিকোচ্ছে না। উলটে গত অগস্ট মাসে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের নিজেদের ব্যবহৃত ৪৫টি গাড়ি বিক্রি করেছেন শিল্পপতিরা।

সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য হারে বাজারে চাহিদা বেড়েছে সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির। কানপুরের পুরনো গাড়ি বিক্রেতা অঙ্কিত সিং জানিয়েছেন, অতিমারীর জেরে প্রথমে ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলেও পরবর্তীকালে ৫০,০০০ টাকা থেকে তিন লাখ টাকা দামের ব্যবহৃত গাড়ির চাহিদা হু হু করে বাড়তে থাকায় সমস্যা কিছুটা দূর হয়েছে।

আর এক গাড়ি বিক্রেতা রোমি ভল্লার মতে, কোভিড পরিস্থিতিতে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার কারণেও পুরনো গাড়ি কেনার প্রবণতা বেড়েছে। অফিস যাওয়ার জন্যও আগের মতো বাস-অটোর উপরে নির্ভর না করে গাড়ি কিনছেন অনেকে। ফলে অন্য সময় প্রতিমাসে ছোট গাড়ি ৫০টি বিক্রি হলেও হালে তা বেড়ে মাসে ১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

হুন্ডাই ইন্ডিয়া সংস্থার এক কর্তা পুনীত খন্না জানিয়েছেন, ভারতে এখনও পর্যন্ত ব্যবহৃত গাড়িবাজার অসংগঠিত। তবে পুরনো গাড়ি কেনার সময় অনেক বেশি সতর্ক থাকা দরকার বলেও তিনি মনে করেন।

বন্ধ করুন