বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েও অক্ষত ভারতীয় রোভার ‘প্রজ্ঞান’, নাসার ছবিতে মিলল প্রমাণ
দ্বিতীয় চন্দ্রায়ণ অভিযান শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হলেও চাঁদের বুকে অক্ষত রয়েছে ‘প্রজ্ঞান’, বলছে নাসা-র পাঠানো এই ছবি।
দ্বিতীয় চন্দ্রায়ণ অভিযান শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হলেও চাঁদের বুকে অক্ষত রয়েছে ‘প্রজ্ঞান’, বলছে নাসা-র পাঠানো এই ছবি।

চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েও অক্ষত ভারতীয় রোভার ‘প্রজ্ঞান’, নাসার ছবিতে মিলল প্রমাণ

  • চাঁদের মেরু অঞ্চল যথেষ্ট আলোকিত না থাকায় এবং ২ মিটার নীচু গর্তে পড়ে থাকার কারণে আগে রোভারটি দেখা যায়নি, দাবি ষন্মুগার।

চাঁদের বুকে অক্ষত রয়েছে ভারতের রোভারযান ‘প্রজ্ঞান’। দ্বিতীয় চন্দ্রায়ণ অভিযান শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হলেও সম্প্রতি নাসা-র পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে ইসরো-কে এই তথ্য জানিয়েছেন চেন্নাইয়ের প্রযুক্তিবিদ ষন্মুগা সুব্রামণিয়ন।

গত বছর নাসা-র পাঠানো চাঁদের ছবি বিশ্লেষণ করে ষন্মুগা ভেঙে পড়া ভারতীয় মহাকাশযান বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ প্রথম দেখতে পান। এর পর গত মে মাসে নাসা-র পাঠানো নতুন কিছু ছবি দেখে ওই ধ্বংসাবশেষের মধ্যে থাকা অক্ষত রোভার ‘প্রজ্ঞান’-এর অস্তিত্ব চিহ্নিত করেছেন ষন্মুগা। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক অবস্থান থেকে রোভারযান কয়েক মিটার সরে এসেছে বলেও তিনি ইসরো-র কাছে পাঠানো চিঠিতে দাবি করেছেন।

ষন্মুগার পাঠানো চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে টাইমস অফ ইন্ডিয়া সংবাদসংস্থাকে ইসরো চেয়ারম্যান কে সিভান জানিয়েছেন, ‘এখনও পর্যন্ত নাসা-র তরফ থেকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে যিনি প্রথম বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ চিহ্নিত করেছিলেন, তিনি একটি ই মেল পাঠিয়েছেন। বিষয়টি আমাদের বিশেষজ্ঞরা দেখছেন এবং এই মুহূর্তে এই বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে নাসা-র লুনার অরবিটারের পাঠানো ছবিতে বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। তবে চাঁদের মেরু অঞ্চল যথেষ্ট আলোকিত না থাকায় এবং চাঁদের পিঠ থেকে ২ মিটার নীচু গর্তে পড়ে থাকার কারণে সেই সময় রোভারটি দেখা যায়নি বলে দাবি ষন্মুগার। পরে জানুয়ারি মাসে তোলা ছবি মে মাসে নাসা প্রকাশ করলে প্রজ্ঞানকে দেখে চিনতে পারেন তিনি। 

তবে তাঁর দাবি, অবতরণের সময় চন্দ্রযান ভেঙে পড়ায় যে স্থানে থাকার কথা ছিল রোভারের, সেখান থেকে কয়েক মিটার সে গড়িয়ে গিয়েছে বলে ছবিতে মনে হয়েছে। তবে এই বিষয়ে একমাত্র ইসরো-ই সঠিক তথ্য ও ব্যাখ্যা দিতে পারবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারেনি ইসরো। 

বন্ধ করুন