বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কত ঘণ্টা কাজ, তার ভিত্তিতে বেতন কর্মীদের, জানাল স্পাইসজেট
স্পাইসজেট (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
স্পাইসজেট (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

কত ঘণ্টা কাজ, তার ভিত্তিতে বেতন কর্মীদের, জানাল স্পাইসজেট

করোনা পরিস্থিতির আগে যত সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করত, তার থেকে ১০ শতাংশ যাত্রী কমে গিয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জের। এবার কাজের ঘণ্টা অনুযায়ী বেতন পাবেন স্পাইসজেটের কর্মীরা।পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সম্প্রতি সংস্থার তরফে এই সিদ্ধান্তের কথাই ঘোষণা করা হয়েছে।তবে যাঁদের বেতন একটি নির্দিষ্ট স্তরের মধ্যে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না। তাঁরা পুরো বেতনই পাবেন।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে ফের সংক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।বিমানে যাত্রী পরিবহণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়েছে।ফলে বেসরকারি বিমান পরিবহণ সংস্থার আয়ের পরিমাণও কমেছে।ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলিকে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার স্পাইস জেট বিমান সংস্থা তাঁদের কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সংস্থার তরফে প্রত্যেক কর্মীকে ইমেল মারফত জানানো হয়েছে, 'গত বছরের মতো এই বছরও বিমান পরিবহণের ক্ষেত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এর প্রভাব আমাদের সংস্থার ওপরও এসে পড়েছে।করোনা পরিস্থিতির আগে যত সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করত, তার থেকে ১০ শতাংশ যাত্রী কমে গিয়েছে।' এরপরেই বেতন কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, 'সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা বিচার বিবেচনা করে কোম্পানি স্থির করেছে, এবার কর্মীদের কাজের ঘণ্টার ভিত্তিতে টাকা দেবে।তবে সবচেয়ে সবচেয়ে কম গ্রেডের বেতন যারা পান, তাঁদের মাইনে অপরিবর্তিত থাকবে।'

একইসঙ্গে সংস্থার তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মে মাসের বেতন ১ জুন প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।তবে কিছু কর্মীদের ক্ষেত্রে বেতনের ৩৫ শতাংশ বাদ দিয়ে বাকি টাকা পাঠানো হবে।এরপর জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।তবে শেষে কর্মীদের আশ্বস্ত করে সংস্থার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, স্বাভাবিক অবস্থা যাতে ফিরে আসে, সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১ জুন থেকে অসামরিক বিমান পরিবহণের তরফে আন্তঃদেশীয় বিমানের ক্ষেত্রে যাত্রী পরিবহণের মাত্রা ৮০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, মার্চে যেখানে ৭৮ লাখ ২২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছেন, সেখানে এপ্রিলে যাতায়াত করেছেন ৫৭ লাখ ২৫ হাজার জন।

বন্ধ করুন