বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ৩০ জন পড়ুয়াকে একই সিরিঞ্জ দিয়ে ভ্যাকসিনেশন! হাড়হিম করা কাণ্ডে তদন্তে মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন
ভ্যাকসিন ঘিরে এই উদাসিনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

৩০ জন পড়ুয়াকে একই সিরিঞ্জ দিয়ে ভ্যাকসিনেশন! হাড়হিম করা কাণ্ডে তদন্তে মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন

যখন এলাকার চিফ মেডিক্যাল অফিসার পৌঁছন ঘটনাস্থলে। এদিকে, সিএমওএইচ আসতেই দেখা যায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত জিতেন্দ্র। তাঁর ফোনও সুইচড অফ আসতে থাকে। এরপরই তাঁর নামে এফআইআর দায়ের হয়।

প্রশাসনিক উদাসিনতার আরও এক ঘটনার সাক্ষী দেশ। মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় একই সিরিঞ্জ দিয়ে ৩০ জন স্কুল পড়ুয়াকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যেখানে বিধি বলছে, একটি সিরিঞ্জে একবার একজনকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম রয়েছে, সেখানে এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তদন্তে নেমেছে প্রশাসন।

সাগর জেলার এক সরকারি স্কুলের ৩০ জন পড়ুয়াকে পর পর একই সিরিঞ্জে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘটনা রয়েছে। ভোপাল থেকে অনতিদূরে সাগর জেলায় এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, জৈন পাবলিক হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে ঘটে গিয়েছে এই ঘটনা। যিনি ভ্যাকসিন দিয়েছেন তাঁর নাম জিতেন্দ্র রাই, বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের সঙ্গে থাকা এক অভিভাবক প্রথমে বিষয়টিতে নজর দেন। তারপরই তিনি সোচ্চার হতে সামনে আসে ঘটনা। সাসপেন্ডেড সাংসদদের ৫০ ঘণ্টার ধরনায় চিকেন তন্দুরি থেকে ইডলি! মেন্যুতে আর কী কী?

ওই অভিভাবক সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার কথা জানান স্কুল কর্তৃপক্ষকে। তারপরই জড়ো হতে থাকে ভিড়। ভিড় চেপে ধরে জিতেন্দ্র রাইকে। তিনি ভিড়ের জেরার মুখে দাঁড়িয়ে স্বীকার করে নেন যে তিনি একই সিরিঞ্জ দিয়ে পর পর ৩০ জনকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন। ততক্ষণে এলাকার চিফ মেডিক্যাল অফিসার পৌঁছন ঘটনাস্থলে। এদিকে, সিএমওএইচ আসতেই দেখা যায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত জিতেন্দ্র। তাঁর ফোনও সুইচড অফ আসতে থাকে। এরপরই তাঁর নামে এফআইআর দায়ের হয়।

বন্ধ করুন