বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সংসদ সহ লাটিয়ান্স দিল্লিকে ঢেলে সাজানোর সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পকে সুপ্রিম ছাড়পত্র
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প (PTI)
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প (PTI)

সংসদ সহ লাটিয়ান্স দিল্লিকে ঢেলে সাজানোর সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পকে সুপ্রিম ছাড়পত্র

  • সুপ্রিম কোর্ট নিজের রায়ে জানিয়েছে যে কেন্দ্র যে অধিকার ব্যবহার করেছে সেটা যথার্থ ও সঠিক।

সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি খানউইলকরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ ২-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টকে ছাড়পত্র দিয়েছে। এদিন বিচারপতি খানউইলকর, তাঁর ও বিচারপতি মহেশ্বরীর লেখা সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়টি পড়ে শোনান। অন্যদিকে পৃথক জাজমেন্ট পড়ে শোনান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। 

সুপ্রিম কোর্ট নিজের রায়ে জানিয়েছে যে কেন্দ্র যে অধিকার ব্যবহার করেছে সেটা যথার্থ ও সঠিক। জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে বদলগুলি করা হয়েছে সেটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি নেই। পরিবেশ রক্ষার্থে তৈরী কমিটির সুপারিশও যথার্থ বলে মনে করে আদালত।এদিন সুপ্রিম কোর্ট বলে যে স্মগ টাওয়ার তৈরী করতে হবে এই প্রকল্পের আওতায় দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য। বাড়ি নির্মাণে পরিবেশবান্ধব মালমসলা ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ব্যবহার করতে হবে অ্যান্টি স্মগ গান নির্মাণকাজের সময়। ভবিষ্যতে এরকম কোনও প্রকল্প হলে পরিবেশমন্ত্রককে অনুরূপ নির্দেশ জারি করতে হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  

অভিজাত লাটিয়ান্স দিল্লির বুকে ৮৬ একর জমিকে সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে চায় সরকার। ডিসেম্বরে এই প্রজেক্টের ভূমিপূজো করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে কাজ শুরু হবে না বলে সুপ্রিম কোর্টে আশ্বাস দেয় কেন্দ্র। এদিনের রায়ের পর অবশ্য কাজ শুরুতে কোনও বাধা থাকল না। এদিন বিচারপতি খানউইলকর বলেন যে ডিডিএ আইনের অধীনে সরকার যথার্থ ভাবে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। সেই কারণে এই সংক্রান্ত নোটিফিকেশন বহাল থাকবে বলে তিনি জানান। কোনও রিডেভেলপমেন্টের কাজ করার আগে অনুমতি নিতে হবে কেন্দ্রকে। যেভাবে কোভিড কাটিয়েও এই মামলার শুনানি করলেন বিচারপতি মহেশ্বরী, তার জন্য তাঁকে প্রশংসা করেন বিচারপতি খানউইলকর। 

নিজের পৃথক রায়ে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন যে জমি কী জন্য ব্যবহার হবে, সেই সংক্রান্ত যে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সেটি তিনি বেআইনি বলে মনে করেন। এখানেই তাঁর সঙ্গে অন্য দুই বিচারপতির রায়ের তফাত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন যে হেরিটেজ কনজারভেশন কমিটির কোনও ছাড়পত্র এতে নেওয়া হয় নি। একই সঙ্গে আগে থেকে এই সংক্রান্ত তথ্য জনসমক্ষে আনা হয়নি। সেই কারণে এই বিষয়টি কমিটির কাছে তিনি পাঠাতে চান বলে জানান বিচারপতি খান্না।

বন্ধ করুন