বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > SC on Bonded Labour: শ্রমিককে গণধর্ষণের অভিযোগ, ‘টাকা খেয়ে ছেড়ে দেয়...’, দশক পুরোনো পিটিশন খারিজ SC-র
সুপ্রিম কোর্ট (HT File Photo) (HT_PRINT)

SC on Bonded Labour: শ্রমিককে গণধর্ষণের অভিযোগ, ‘টাকা খেয়ে ছেড়ে দেয়...’, দশক পুরোনো পিটিশন খারিজ SC-র

  • ‘দেশে বন্ডেড লেবার নেই’। বুধবার একটি মামলার আবেদন খারিজের পরিপ্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট।

‘দেশে বন্ডেড লেবার নেই’। বুধবার একটি মামলার আবেদন খারিজের পরিপ্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, এক দশক আগে ২০১২ সালে ইঁটভাটার এক মহিলা শ্রমিকের হয়ে মামলার আবেদন করেছিলেন সমাজকর্মী স্বামী অগ্নিবেশ। অভিযোগ, সেই ইটভাটার শ্রমিককে ধর্ষণ করেছিল মালিক। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা এবং বিচারপতি শুধাংশু ধুলিয়ার পর্যবেক্ষণ, ‘প্রয়োজনে রাজ্য প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ নেবে। বিষয়টি আমাদের আর বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই।’ (আরও পড়ুন: রেলের ‘লিজ’ নীতিতে বদল,চাকরি পেতে পারে ১.২৫ লাখ! ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত মোদীর)

আবেদনকারীর আইনজীবীকে এদিন সুপ্রিম কোর্ট বলে, ‘আপনি কি জানেন বন্ডেড শ্রমিক কারা? তারা আসলে কোনও বাঁধনে নেই। তারা টাকা নিয়ে ইটভাটায় কাজ করতে আসে। মূলত পিছিয়ে পড়া এলাকা থেকেই আসে তারা। তারা টাকা নিয়ে টাকা খেয়ে ফেলে। তারপর কাজ ছেড়ে দেয়। দেশে এটা একটা র‌্যাকেট। এই শ্রমজীবীরা এই বন্ডেড মজুর ইস্যুর ফায়দা তুলছে।’

আরও পড়ুন: ‘এবার কি পোশাক খোলার অধিকার...’, হিজাব পক্ষের আইনজীবীকে সুপ্রিম প্রশ্নবাণ

প্রসঙ্গত, ঋণ পরিশোধের বিনিময়ে ঋণদাতার জন্য যারা কাজ করে, তাকে বন্ডেড লেবার বলা হয়। এটা কতকটা দাশত্বের মতোই। কখনও কখনও বন্ডেড শ্রম এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্ম পর্যন্ত চলতে থাকে। এই আবহে জম্মু ও কাশ্মীরের ইটভাটায় বন্ধক শ্রমের অভিযোগ উঠে আসছে বহু বছর ধরে। তবে ২০১২ সালের এই মামলার প্রেক্ষিতে জম্মু ও কাশ্মীরের সরকারের পক্ষের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এই ঘটনায় এফআইআর করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ সাল থেকে অভিযোকারীর খোঁজ না মেলায় তদন্ত বন্ধ করা হয়।

এদিকে ২০১২ সালের আবেদন অনুযায়ী অভিযোগ, একজন মহিলা এবং তাঁর স্বামী নিজেদের গ্রামের বাড়িতে ফিরতে চেয়েছিলেন। তবে ইটভাটার মালিক নাকি তাদের থেকে ৩ লাখ টাকা দাবি করে ‘মুক্তি’র বিনিময়ে। মহিলার স্বামী কোনও ভাবে পালাতে সক্ষম হলেও সেই মহিলা এবং তাঁর সন্তানকে নাকি বেআইনি ভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই সময় মহিলাকে গণর্ষণ করেছিল সেই ইটভাটার মালিক এবং অন্যান্যরা। এই আবহে পিটিশনে দাবি করা হয়েছিল, বন্ডেড শ্রমিকদের জন্য একটি নতুন পুনর্বাসন প্রকল্পের খসড়া তৈরি করা হোক। পাশাপাশি শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি করা হয়েছিল। যদিও এই মামলার আবেদনটি গ্রহণ করল না সুপ্রিম কোর্ট।

বন্ধ করুন