বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গায়ত্রী মন্ত্রের সঙ্গেই কলমা পড়ানো হত স্কুলে, সম্প্রীতির প্রার্থনাতেও ফতোয়া !
প্রার্থনাতেও আপত্তি জানাল কট্টরপন্থীরা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

গায়ত্রী মন্ত্রের সঙ্গেই কলমা পড়ানো হত স্কুলে, সম্প্রীতির প্রার্থনাতেও ফতোয়া !

  • স্কুলের দাবি, সমস্ত ধর্মকেই যাতে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় সেকারণেই বিভিন্ন ধর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী কিছু গ্রুপ এনিয়ে আপত্তি তুলেছে। এদিকে পুলিশও এনিয়ে খোঁজখবর করছে।

সর্ব ধর্ম সমণ্বয়। উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ফ্লোরেটস স্কুলে বরাবরই সকালবেলার প্রার্থনায় ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন ধর্মের শ্লোক পাঠ করে। সেখানে যেমন গায়ত্রী মন্ত্র থাকে, তেমনি থাকে গুরুবাণী, ইসলামিক সহ অন্যান্য ধর্মের পবিত্রকথাও থাকেও প্রার্থনায়। প্রায় ১ দশক ধরে এই রীতি চলে আসছে। কিন্তু ইদানিং এনিয়েই আপত্তি তুলেছেন কয়েকজন। তাঁদের অভিযোগ এভাবে মুসলিমদের কলমা পাঠ করানো যাবে না। তাঁদের অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষ জোর করে ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে স্কুলের প্রিন্সিপাল সুমিত মাখিজা জানিয়েছেন, আমাদের কোনও ধর্মকে তুলে ধরার কোনও লক্ষ্য নেই। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার শুধু জাতীয় সংগীতই গাওয়া হবে প্রার্থনা সংগীতে। তিনি জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই রীতিটা চলে আসছিল। স্কুলের ডায়েরিতেই হিন্দু, মুসলিম, খ্রীষ্টান, শিখ সহ বিভিন্ন ধর্মের শ্লোক লেখা রয়েছে।

স্কুলের দাবি, সমস্ত ধর্মকেই যাতে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় সেকারণেই বিভিন্ন ধর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী কিছু গ্রুপ এনিয়ে আপত্তি তুলেছে। এদিকে পুলিশও এনিয়ে খোঁজখবর করছে।

রাজস্থানের কোটাতেও সম্প্রতি দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্যবইতে আম্মা ও বিরিয়ানি শব্দ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন অভিভাবকদের একাংশ। এমনকী বইতে কেন আব্বু ও আম্মি শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁরা। 

বন্ধ করুন