বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Sedition Law: স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে মোদীর স্বপ্নপূরণের লক্ষ্য! রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

Sedition Law: স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে মোদীর স্বপ্নপূরণের লক্ষ্য! রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

  • Sedition Law: সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে কেন্দ্র দাবি করেছে, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে ঔপনিবেশিক বোঝা ঝেড়ে ফেলার যে লক্ষ্য নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ব্রিটিশ আমলের বিভিন্ন আইন পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

দিনকয়েকের ব্যবধানে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল কেন্দ্রীয় সরকার। গত সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র জানিয়েছিল, নতুন করে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহ আইন) পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন নেই। যদিও সোমবার শীর্ষ আদালতে নরেন্দ্র মোদী সরকার জানাল, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে কেন্দ্র দাবি করেছে, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে ঔপনিবেশিক বোঝা ঝেড়ে ফেলার যে লক্ষ্য নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ব্রিটিশ আমলের বিভিন্ন আইন পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে যে বিভিন্ন মতামত প্রদান করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত কেন্দ্র। নাগরিকদের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, তাও বিবেচনা করা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে 'উপযুক্ত ফোরামের' সামনে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ ধারা পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

আরও পড়ুন: Sedition Law: নতুন করে পর্যালোচনার দরকার নেই, আদালতে সাফাই সরকারের, ভালো আইন?

আরও পড়ুন: Sedition Law: রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র? জবাব দিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে চাওয়া হল সময়

বহু পুরনো আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। সেই পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হলফনামা পেশ করে সুপ্রিম কোর্টের কাছে কেন্দ্র আর্জি জানিয়েছে যে যতক্ষণ না ভারত সরকারের পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ যেন সেই বিষয়ে সময় ব্যয় না করে শীর্ষ আদালত।

বন্ধ করুন