বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিচার প্রক্রিয়ায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে অনশন শুরু ইয়াসিন মালিকের
ইয়াসিন মালিক। ফাইল ছবি।

বিচার প্রক্রিয়ায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে অনশন শুরু ইয়াসিন মালিকের

  • জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সকাল থেকেই বেশ কয়েকবার অনশন ভাঙাতে ইয়াসিনের সঙ্গে কথা বলেন জেলের আধিকারিকরা। কিন্তু, তিনি নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় রয়েছেন। প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের প্রধান ছিলেন ইয়াসিন মালিক।

বিচার প্রক্রিয়ায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে অনশন শুরু করলেন কাশ্মীরের এক সময়কার ত্রাস বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিক। বর্তমানে তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। আজ সকাল থেকেই তিনি খাবার এবং জল ত্যাগ করেছেন বলে জেল সূত্রে জানা গিয়েছে। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে যে তদন্ত হয়েছে তা সঠিকভাবে হয়নি। তাই অবিলম্বে সঠিক তদন্তের দাবিতে তিনি তিহার জেলে বসে অনশন শুরু করেছেন। প্রসঙ্গত, জঙ্গি যোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ইয়াসিন মালিক। তারপরও তিনি কেন ফের সঠিকভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সকাল থেকেই বেশ কয়েকবার অনশন ভাঙাতে ইয়াসিনের সঙ্গে কথা বলেন জেলের আধিকারিকরা। কিন্তু, তিনি নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় রয়েছেন। প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের প্রধান ছিলেন ইয়াসিন মালিক। নিষিদ্ধ সংগঠনটি নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরে ব্যাপক সন্ত্রাস তৈরি করেছিল। কাশ্মীরের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মুফতি মহম্মদ সইদের কন্যা রুবাইয়া সইদকে অপহরণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের জঙ্গিমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি পাক মদতপুষ্ট। স্বাধীনতার নামে এই সংগঠন সেনা জওয়ান থেকে শুরু করে বহু নিরীহ মানুষকে নিশানা করেছে।

২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার ঘটনায় ইয়াসিন মালিকের যোগ থাকার অভিযোগ ওঠে। এর পরেই ইয়াসিন মালিককে গ্রেফতার করে পরে এনআইএ। ২০২০ সালের মার্চ মাসে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু হয়। তিনি ১৯৯০ সালে কাশ্মীরে বায়ুসেনা আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনাতে জড়িত রয়েছেন। বেশ কয়েক বছর মামলা চলার পর তিনি গত ২৫ মে অপরাধের কথা স্বীকার করেন। এরপরে মালিককে দোষী সাব্যস্ত করে দিল্লির এনআইএ আদালত।

বন্ধ করুন