ছবিটি প্রতীকী।
ছবিটি প্রতীকী।

CAA-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসএফআই

  • এসএফআই-এর তরফে দাবি করা হয়েছে যে, সিএএ কার্যকর হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পড়ুয়ারা। ওই আইন ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিক এবং অ-নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ জানিয়েচে ছাত্র সংগঠন।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাল এসএফআই। পাশাপাশি, ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের অনুমোদনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের বৈষম্যমূলক নীতির বৈধতাকেও চ্যালেঞ্চ জানিয়েছে বাম ছাত্র সংগঠন।

আবেদনে এসএফআই-এর তরফে দাবি করা হয়েছে যে, সিএএ কার্যকর হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পড়ুয়ারা। ওই আইন ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিক এবং অ-নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ জানিয়েচে ছাত্র সংগঠন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে সফল পেশাদার জীবন গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের যে সমস্ত পড়ুয়া পড়াশোনা করছেন, তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করে এসএফআই। ফলে, ‘সিএএ সেই সমস্ত পড়ুয়াদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। এর কারণ, সংবিধানের ১৯(১)(জি) ধারায় শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদেরই পেশাক্ষেত্রে স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে।’

শুধু তাই নয়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের অধীনে থাকা এনারসি ও এনপিআর প্রয়োগের জেরে পেশাক্ষেত্র এবং পেশাজনিত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে চলেছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব এবং অন্যদের ক্ষেত্রে বর্জনের নীতি কখনওই ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার প্রেক্ষিতে বৈধ ও যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা পেশ করতে পারবে না। এই কারণে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করছে এবং বৈধতা হারাচ্ছে।

উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তি ও সংগঠন সংবিধান বিরোধিতার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। দেশজুড়ে এই আইনের বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ অবস্থানও অব্যাহত।

বন্ধ করুন