বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'নিজের আংটির আঘাতেই নাক ফাটিয়েছেন,' ঘুসির অভিযোগ অস্বীকার Zomato ডেলিভারি বয়ের
ছবি : ইনস্টাগ্রাম (Instagram) (Instagram)
ছবি : ইনস্টাগ্রাম (Instagram) (Instagram)

'নিজের আংটির আঘাতেই নাক ফাটিয়েছেন,' ঘুসির অভিযোগ অস্বীকার Zomato ডেলিভারি বয়ের

হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'উনি নিজেই অর্ডার ক্যানসেল করে দেন। এরপর আমাকে খাবারটা ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়। আমি মহিলার কাছে পার্সেল ফেরত চাই। উল্টে উনি আমাকে অভব্য গালিগালাজ শুরু করেন।'

খাবার দিতে দেরি হওয়া নিয়ে বচসা। আর তার জেরে ডেলিভারি বয়ের বিরুদ্ধে ঘুসি মেরে নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন ব্যাঙ্গালুরুর এক মহিলা। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা চাঞ্চল্যকর দাবি ডেলিভারি বয়ের। 'নিজের হাতের আংটিতেই নিজের নাকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি,' হিন্দুস্তান টাইমস-এর কাছে দাবি ডেলিভারি বয় কামরাজের।

ইনস্টাগ্রামে ফ্যাশান ও বিউটি সংক্রান্ত ভিডিয়ো পোস্ট করেন চন্দ্রাণী হিতেশা। সেখানে তাঁর প্রায় ৫১,০০০ ফলোয়ার। গত বুধবার নাক ফাটার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মোবাইলে তাঁর রক্তাক্ত মুখের ভিডিয়ো করেন। সেখানে জানান তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছে। তিনি জানান, 'দুপুর ৩.৩০ নাগাদ অর্ডার করেছিলাম। আসে ৪.৩০-এ। দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলেই অভব্য আচরণ করতে থাকেন ডেলিভারি বয়।'

দেরি হওয়ায় খাবার ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বা ফ্রি-তে দেওয়ার দাবি করেন চন্দ্রাণী। 'আমি ওঁকে জানাই যে হয় খাবার ফ্রি-তে দেওয়া হোক, নয়তো ফেরত নিয়ে যাওয়া হোক। এরপরেই উনি হঠাত্ই আমায় ঘুসি মারেন,' ঘটনার ব্যাখ্যা করেন মহিলা। জোমাটোর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তবে বৃহস্পতিবার ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ কামরাজ। হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'উনি নিজেই অর্ডার ক্যানসেল করে দেন। এরপর আমাকে খাবারটা ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়। আমি মহিলার কাছে পার্সেল ফেরত চাই। উল্টে উনি আমাকে অভব্য গালিগালাজ শুরু করেন।'

শুধু তাই নয়, এরপর ওই মহিলা তাঁকে চটি ছুঁড়ে মারেন বলেও অভিযোগ কামরাজের। মহিলাকে ঘুসি মারার অভিযোগ নস্যাত্ করে কামরাজ বলেন, 'আমাকে উনি মারতে শুরু করেন। আমি খালি হাত দিয়ে আটকাচ্ছিলাম। আমি ওনার হাত সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। সেই সময়ে তাঁর নিজের হাতের আংটিই গিয়ে লাগে তাঁর নাকে। এভাবেই নাক ফেটে রক্ত বের হতে শুরু করে।'

Zomato-র তরফে ওই মহিলা ও ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ, দুজনকেই সমানভাবে সাহায্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মহিলার সুশ্রষার খরচ বহন করছে সংস্থা। অন্যদিকে কামরাজের আইনি লড়াই সংক্রান্ত ক্ষেত্রেও সহায়তা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

যদিও সংস্থার নীতি মেনেই আপাতত সাসপেন্ড করা হয়েছে কামরাজকে। তবে, তাঁর বেতন বন্ধ করা হয়নি।

সংস্থা জানায় যতক্ষণ না সত্য সামনে আসছে, ততক্ষণ দুই পক্ষেরই পাশে থাকব আমরা। সেই সঙ্গে সংস্থা জানায়, 'কামরাজ আমাদের সঙ্গে প্রায় ২ বছর কাজ করছেন। কাস্টমার রেটিং ৪.৭৫/৫ (যেটি কিনা খুবই ভাল) । এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ ডেলিভারি করেছেন তিনি।'

বন্ধ করুন