বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আজ নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ দেউবার, সামনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ
শের বাহাদুর দেউবা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)
শের বাহাদুর দেউবা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)

আজ নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ দেউবার, সামনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ

  • ক্ষমতায় থাকতে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে।

আজ নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শের বাহাদুর দেউবা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাবুরাম ভট্টরাইকে উদ্ধৃত করে একথা জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআই। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যে নয়া প্রধানমন্ত্রীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাবুরাম বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে আগামিকাল (১৩ জুলাই) শের বাহাদুর দেউবা নয়া মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। যেটার জন্য আমরা আলোচনা শুরু করব। এটা জোট সরকার হবে এবং সেই জোট সরকার আরও বেশি কার্যকরী হবে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ, টিকাকরণ, দুর্নীতির মতো মানুষের উদ্বেগের বিষয়গুলি সমাধান করব আমরা।’

এমনিতে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার দখলের লড়াইয়ের মধ্যে মে মাসে ২৭৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে আস্থা ভোটে হেরে গিয়েছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। কিন্তু ঘুরপথে ক্ষমতা দখল করে রাখতে ২৭৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারপরই তড়িঘড়ি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারীর কার্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছিল, সংবিধানের ৭৬ (৭) ধারা প্রয়োগ করে সংসদ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যে ঘটনাকে ‘মধ্যরাতের ডাকাতি’ বলে তোপ দেগেছিলেন বিরোধীরা। শুরু হয়েছিল বিতর্ক। সংসদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ৩০ টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তারইমধ্যে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খান ওলি। পাঁচ মাসে দ্বিতীয়বার ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনর্গঠনের নির্দেশ দেয় নেপালের শীর্ষ আদালত। সেইসঙ্গে নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেউবাকে দু'দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশের পরই সোমবার বিকেলে বৈঠকে বসে জোটের দলগুলি। সেখানে নয়া মন্ত্রিসভা গঠন-সহ ভবিষ্যতের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। নয়া সরকারে কে কোন দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে আলোচনায় বসবে জোট দলগুলি। তারইমধ্যে দেউবাদের উদ্বেগ বাড়িয়ে এক শরিক দলের একটি গোষ্ঠী সরে গিয়েছে। তার জেরে ক্ষমতায় থাকার জন্য সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের কাজ আরও কঠিন হয়েছে দেউবার কাছে। 

বন্ধ করুন