চতুর্থ বার মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শিবরাজ সিং চৌহান। ছবি: পিটিআই। (PTI)
চতুর্থ বার মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শিবরাজ সিং চৌহান। ছবি: পিটিআই। (PTI)

মধ্য প্রদেশের তখতে ফের শিবরাজ সিং চৌহান

এই নিয়ে চতুর্থ বার মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন শিবরাজ সিং চৌহান।

মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শিবরাজ সিং চৌহান। এই নিয়ে চার বার তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন। সোমবার বিকেল ৬টায় দলীয় বৈঠকে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

একধাক্কায় ২২ জন বিধায়ক পদত্যাগ করায় নড়বড়ে হয়ে পড়ে কমল নাথের নেতৃত্বে রাজ্যের কংগ্রেস সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিধান সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে আস্থাভোটের আগেই ইস্তফা দেন কমল নাথ।

তবে দলীয় সূত্রে খবর, মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে শিবরাজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারত গোপাল ভার্গবের। এই পদের জন্য নাম শোনা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার ও তাভেরচাঁদ গেহলটের। আবার মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য আলোচনায় ছিলেন বিধান সভায় দলের চিফ হুইপ নরত্তোম মিশ্র এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও।

অতীতে শিবরাজের শাসনকালেই মধ্য প্রদেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে, গতি এসেছে উৎপাদনেও। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের জন্য একাধিক প্রকল্প চালু করার জন্যও ‘মামাজি’র জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এ ছাড়া সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করার ব্যাপারেও তাঁর সুনাম রয়েছে।

এই সব কারণে মধ্য প্রদেশের উচ্চশ্রেণির কাছে শিবরাজের ভাবমূর্তি খুবই উজ্জ্বল। পাশাপাশি, নিজে সংরক্ষিত তালিকাভুক্ত হওয়ার ফলে তফশিলী জাতি, উপজাতি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জাতির কাছেও তিনি সমান গ্রহণযোগ্য। দলিত ও জনজাতিদের উন্নয়নেও তিনি উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। আর এ সবের জোরেই ২০০৮ এবং ২০১৩ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন শিবরাজ সিং চৌহান।

বন্ধ করুন