বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Murder: বজরঙ দলের সদস্য কিশোরকে কুপিয়ে খুন অসমে, প্রতিবাদে ভাঙচুর দোকানে

Murder: বজরঙ দলের সদস্য কিশোরকে কুপিয়ে খুন অসমে, প্রতিবাদে ভাঙচুর দোকানে

অসমে বজরঙ দলের সদস্যকে কুপিয়ে খুন। প্রতীকী ছবি (PTI Photo) (PTI)

বজরঙ দলের নেতা শান্তনু নায়েক হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, মৃতের পরিবারের পাশে আমরা সকলেই রয়েছি। বরাক উপত্যকার তিন জেলা থেকেই আমাদের কর্মীরা ওখানে গিয়েছেন। হিন্দু রীতি মেনে তার শেষকৃত্য করা হবে।

বিশ্বকল্যাণ পুরকায়স্থ

রবিবার সন্ধ্যায় অসমের করিমগঞ্জে ভয়াবহ ঘটনা। ১৬ বছর বয়সী বজরং দলের সদস্য়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে এমনটাই খবর।এদিকে এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্য়াপক উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতা অন্তত ১২টি দোকানে ভাঙচুর চালায়। করিমগঞ্জের ডিএসপি গীতার্থ শর্মা জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় এক নাবালকের উপর হামলা চালানো হয়েছে। অপর এক নাবালকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসা চলাকালীন ওই নাবালকের মৃত্যু হয়েছে।

এর সঙ্গেই তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে কোনও ব্যক্তিগত কারণে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তাকে জেরা করা হচ্ছে। তবে সে একজন নাবালক। সেক্ষেত্রে জুভেনাইল অ্যাক্ট অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পরে বজরঙ দলের সদস্যরা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তারা ওই নাবালককে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। পুলিশও সহায়তা করেছে।

বজরঙ দলের নেতৃত্বের দাবি, ওই কিশোর সংগঠনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল। এরপর সে বাড়ি ফিরছিল। তখনই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তার মাথায় গভীর ক্ষত তৈরি হয়। ঘাড়েও আঘাত করা হয়। এর জেরে তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, খুনের ঘটনার পরে স্থানীয়রা কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা বিষয়টি জানি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, ওই নাবালক ক্লাস টেনে পড়ত। ছোটবেলা থেকেই সে বজরঙ দলের সঙ্গে যুক্ত।

বজরঙ দলের নেতা শান্তনু নায়েক হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, মৃতের পরিবারের পাশে আমরা সকলেই রয়েছি। বরাক উপত্যকার তিন জেলা থেকেই আমাদের কর্মীরা ওখানে গিয়েছেন। হিন্দু রীতি মেনে তার শেষকৃত্য করা হবে। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে রয়েছি।

তিনি জানিয়েছেন, একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছি আমরা। রাজ্য সরকারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি পরিবারের একজনের সরকারি চাকরি, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও কঠোরতম ব্য়বস্থা নিতে হবে দোষীদের বিরুদ্ধে।

বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল জানিয়েছেন, এই খুনের পেছনে জেহাদি যোগসূত্র থাকতে পারে। সবরকম দিক থেকে তদন্ত করতে হবে। তিনি হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক মন্ত্রীকে আমি বিষয়টি জানিয়েছি।তবে পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তিনি পুলিশের প্রশংসা করেছেন।

 

বন্ধ করুন