৭ কংগ্রেস সাংসদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার স্পিকারের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
৭ কংগ্রেস সাংসদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার স্পিকারের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

সাত কংগ্রেস সাংসদের সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার স্পিকারের

  • গত ৫ মার্চ কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের টেবিল থেকে কাগজ নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেন।

হাঙ্গামার কারণে সাত কংগ্রেস সাংসদকে লোকসভা বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।

বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর পর থেকেই দিল্লির হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল লোকসভা। গত ৫ মার্চও সেই হই হট্টগোল জারি থাকে। সেদিন ওয়েলে নেমে প্ল্যাকার্ড দেখান বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের টেবিল থেকে কাগজ নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেন। তখনের মতো লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকারের আসনে থাকা রমাদেবী।

আবার অধিবেশন শুরু হওয়ার সময় সভাপতিত্ব করছিলেন বিজেপি সাংসদ মীনাক্ষী লেখি। তিনি সাত কংগ্রেস সাংসদের নাম নেন। তাঁরা হলেন - গৌরব গগৈ, টি এন প্রাথাপন, গুরজিৎ সিং আউজলা, বেন্নি বেহনন, রাজমোহন উন্নিথান, ডিন কুরিয়াকোসে ও মন্নিকাম টেগোর।

লোকসভার নিয়ম অনুযায়ী, যিনি স্পিকারের চেয়ারে বসে আছেন, তিনি যদি কারোর নাম নেন তাহলে তিনি সেদিনের অধিবেশনে আর থাকতে পারেন না। ওই সাতজনকে চলতি অধিবেশন থেকেও বহিষ্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেও ধ্বনিভোটে সেই প্রস্তাব পাশ হয়ে গিয়েছিল।

সেই ঘটনার পরদিন বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি সাব-কমিটি গঠিত হয়। পরে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন সেই কমিটির সদস্যরা। তারপরই সাত কংগ্রেস সাংসদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন স্পিকার।


বন্ধ করুন