বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > প্রায় ৯৪ শতাংশ পড়ুয়া স্কুলেই তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে: রাজস্থানের সমীক্ষা
(ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
(ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

প্রায় ৯৪ শতাংশ পড়ুয়া স্কুলেই তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে: রাজস্থানের সমীক্ষা

এই সমীক্ষাটি ৩৪টি স্কুলের ২,৭৩৫ জন পড়ুয়াদের মধ্যে করা হয়েছে। সমীক্ষা চালিয়ে একটা বিষয় উঠে এসেছে যে যারা ধূমপানে অভ্যস্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশই স্কুল থেকেই এই বিষয়ে অভ্যস্ত হয়েছেন।

রাজস্থানে ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৪.১ শতাংশ পড়ুয়া তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে থাকে। যা জাতীয় স্তরে ৮.৫ শতাংশ। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, যে পড়ুয়ারা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে, তাদের ৯৩.৮ শতাংশ পড়ুয়া স্কুলেই ব্যবহার করে থাকে।

গত সোমবার গ্লোবাল ইয়ুথ টোব্যাকো সার্ভে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্টে উদ্বেগজনক একটি তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, এই সমস্ত পড়ুয়ারা কখনও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে, কখনও নিজের বাড়িতে বসেই তামাকজাত দ্রব্যে সেবন করে থাকে। তবে সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে, এই বয়সি ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে রাজস্থানে মাদকজাত দ্রব্য সেবনের জাতীয় হারের তুলনায় অনেকটাই কম। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানে যেখানে এই হার ৪.‌১ শতাংশ, সেখানে জাতীয় ক্ষেত্রে এই হারের পরিমাণ ৮.‌৫ শতাংশ। যেখানে সারা দেশের মধ্যে মেয়েদের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে ৭.‌৪ শতাংশ, সেখানে রাজস্থানে এই হার ০.‌৪ শতাংশ।

টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি কমিটির নির্দেশিকা অনুযায়ী, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ পপুলেশন সায়েন্স এই সমীক্ষা চালায়। এই সমীক্ষাটি ৩৪টি স্কুলের ২,৭৩৫ জন পড়ুয়াদের মধ্যে করা হয়েছে। সমীক্ষা চালিয়ে একটা বিষয় উঠে এসেছে যে যারা তামাকজাত অভ্যস্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রায় ৯৪ শতাংশই স্কুল থেকেই এই বিষয়ে অভ্যস্ত হয়েছেন। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ১০০ শতাংশ স্কুলেই অধ্যক্ষরা সিগারেট ও বিড়ি ব্যবহারের অপকারিতা নিয়ে যথেষ্টই সজাগ ও সচেতন। কিন্তু এই সজাগ, সচেতনতা, বাধানিষেধ সত্বেও পড়ুয়াদের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার রোখা যায়নি। তবে এরইমধ্যে আশাব্যঞ্জক দিক হল, যারা তামাকজাত আসক্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে ৮৯ শতাংশ মানুষ তা ছাড়তে চেষ্টা করেছে। ৩৪ শতাংশ পড়ুয়া ‘‌স্মোকলেস টোবেগো’‌ ব্যবহার করেন। তবে রাজ্য সরকার অবশ্য তামাক ব্যবহার রুখতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। ই–সিগারেট ও হুক্কা বার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদি কেউ হুক্কা বার চালায় তাহলে সেই ব্যক্তিকে এক থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও এক থেকে ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

বন্ধ করুন