বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বায়ুদূষণ কমাতে খড়কুটো পোড়ানো রুখতে কী কী পদক্ষেপ, সুপ্রিম প্রশ্নের মুখে কেন্দ্র
খড়কুটো জ্বালানো বন্ধ করতে কী পরিকল্পনা করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।
খড়কুটো জ্বালানো বন্ধ করতে কী পরিকল্পনা করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

বায়ুদূষণ কমাতে খড়কুটো পোড়ানো রুখতে কী কী পদক্ষেপ, সুপ্রিম প্রশ্নের মুখে কেন্দ্র

  • সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে আদালতের নির্দেশ, ‘খড়কুটো জ্বালানো বন্ধ করার জন্য কী কী স্থায়ী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার খতিয়ান জমা দিন।’

চলতি বছরে দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলে খড়কুটো জ্বালানো বন্ধ করতে কী পরিকল্পনা করা হয়েছে, বায়ু মান নিয়ন্ত্রণ কমিটির কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলে খেত থেকে ফসল তুলে নেওয়ার পরে খড়কুটো পোড়ানোর জেরে প্রবল বায়ুদূষণ রুখতে সদর্থক সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে বায়ু মান নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার প্রধান বিচারপতি এস এ বোবডের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ দিল্লি সরকারের পক্ষে থাকা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে নির্দেশ দিয়েছে, ‘খড়কুটো জ্বালানো বন্ধ করার জন্য কী কী স্থায়ী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার খতিয়ান জমা দিন।’

পরিবেশ আন্দোলন কর্মী আদিত্য দুবের নেতৃত্বে একটি জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, খড়কুটো পোড়ানোর জেরে বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধিতে কোভিড অতিমারীজনিত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি বেড়েছে, যা মৃত্যুর হার বাড়িয়েছে। 

মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশ সিং সোমবার আদালতে জানান, ‘২০২০ সালের জন্য খড়কুটো পোড়ানো জনিত সমস্যা মিটে গিয়েছে। কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য কমিশনকে কিছু স্থায়ী ব্যবস্থাকরতে হবে।’ 

তিনি জানান, গত ডিসেম্বর মাসে জমা পড়া কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাফিড্যাভিটে কমিশন গঠন করার পর থেকে তার কাজ সম্পর্কে সবিস্তারে বলা হয়েছে। তবে অ্যাফিড্যাভিটে খড়কুটো পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ করতে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়নি।

গত ১৭ ডিসেম্বর মামলার শেষ শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ মন্তব্য করেছিল, ‘কমিশনের কাজে আমরা খুব সন্তুষ্ট নই।’ তার আগে, গত অক্টোবর মাসে সমস্যা সমাধানে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটিও গড়ে দিয়েছিল আদালত। অন্য দিকে, খড়কুটো পোড়ানোর জেরে বায়ু দূষণ বৃদ্ধি রোখার স্থায়ী সমাধানের খোঁজে অর্ডিন্যান্স দারি করে বিশেষ কমিটি গড়ে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের যৌথ উদ্যোগে জমা দেওয়া অ্যাফিড্যাভিটে বলা হয়, দূষণ খতিয়ে দেখতে প্রায় ৫০টি দল গঠন করা হয়েছে। কমিশনের জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বরের মধ্যে পঞ্জাবে ৪৪% বায়ু দূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার অন্তর্ভুক্ত ৭৬,৫৯০টি খড়কুটো পোড়ানোর ঘটনা। 

আবার ২০২০ সালে হরিয়ানায় খড়কুটো পোড়ানোর ঘটনা প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

 

বন্ধ করুন